সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম আওয়ামী লীগকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি ৩৬ জুলাই শেষ হয়ে গেছে।এই আওয়ামী লীগের দালালদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করতে হবে।তিনি আরো বলেন, আজ দেড় বছর পরও খুনি হাসিনার বিচারের জন্য রাস্তায় নামতে হচ্ছে। এই দায়িত্ব অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ছিল। খুনি হাসিনার ফাঁসি এই বাংলাদেশে হবে।তার দোসরদের বিচার এই দেশেই হবে।
বক্তব্যে তিনি খুনি হাসিনাকে দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টাকারী রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ফ্যাসিবাদীর দোসরই হোক না কেন তাদের সতর্ক করে দেন। ভিপি কায়েম খুনি হাসিনার বিচারের দাবিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে বিদ্যমান অনৈক্য দূর করে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার গুরুত্ব দেন।
তিনি ঘোষণা করেন, আজকে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেব।আমরা দেখতে চাই আওয়ামী লীগের দোসররা কোথায়? তাদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই দমন করা হবে।তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার যেখানেই আওয়ামী দোসরদের দেখতে পাবেন, তাদেরকে ধরে থানায় দেবেন, বিচারের আওতায় নিয়ে আসবেন।ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে বলেন, সরকারের গাফিলতির কারণে সর্বত্র যে বিশৃঙ্খলা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম তৈরি হচ্ছে, তাতে তারা দায়সারা বক্তব্য দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করছে।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আজকে যেখানে হাসিনার বিচারের রায়ের ঘোষণায় সবার খুশি হওয়ার কথা ছিল, সেখানে সরকারের নিশ্চুপ ভূমিকার কারণে শিক্ষার্থীদের মাঠে নামতে হচ্ছে।তিনি আরো বলেন, যে দলের টপ টু বটম বিদেশে পালিয়ে যায়, দেশের মানুষ যার বিপক্ষে আন্দোলন করেছিল, কিভাবে তাদের সাহস হয় আবার রাস্তায় নামার? তিনি ঘোষণা দেন, ডাকসু, রাকসু, চাকসু-সহ সকল ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা এই সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সর্বদা অবস্থান নেবে।
মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব ছিল আওয়ামী লীগের বিচার করা, কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত এটা করতে পারেনি। আমরা রাজপথ থেকেই এর জবাব দেব। বৃহস্পতিবার সারাদিন মাঠে থাকব।