পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, যাঁদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি, তাঁদের স্মরণে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে দর্শনার্থীদের জন্য চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া সাভারের আমিন বাজার থেকে শুরু করে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত আমাদের ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত করার পাশাপাশি পোশাকে এবং সাদা পোশাকে চার হাজারের বেশি ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।তারা জনগণের জানমাল রক্ষাসহ সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে। রেজাউল করিম আরো বলেন, জনগণের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের যা যা করণীয়, আমরা সব ব্যবস্থা করেছি। আজ ১৩ ডিসেম্বর থেকে সাদা পোশাকে এবং পোশাকে ফোর্স মোতায়েন থাকবে, যা ১৬ ডিসেম্বর শেষ না হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ জনগণ যতক্ষণ থাকবে, শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ততক্ষণ থাকবে।
সরেজমিনে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঘুরে দেখা গেছে, স্মৃতিসৌধের পাকা অংশে ধোয়ামোছার কাজ চলছে, ইটগুলো ঘঁষে-মেজে খয়েরি ও সাদা রঙ ব্যবহার করা হচ্ছে।লেক সংস্কার, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, এলইডি লাইট স্থাপন, ফুলের গাছ দিয়ে সাজসজ্জার পাশাপাশি স্মৃতিসৌধের আশপাশের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে এলাকাটিকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হয়েছে।জাতীয় স্মৃতিসৌধের ইনচার্জ আনোয়ার খান আনু বলেন, মহান বিজয় দিবস উপলেক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা এবং উপদেষ্টা মণ্ডলীসহ লক্ষ লক্ষ জনতা জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। সেই উপলক্ষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের উদ্যোগে জাতীয় স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্সকে ধুয়েমুছে পরিষ্কার পরিপাটি করা, লেক সংস্কার কাজ, সিসিটিভি স্থাপন, বিভিন্ন ধরনের ফুলের গাছ লাগিয়ে সৌন্দর্য বর্ধনসহ আনুসাঙ্গিক কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ বীর শহীদদের প্রতি সন্মান প্রদর্শনের জন্য গত ৬ নভেম্বর থেকে পালাক্রমে আমাদের প্রস্তুতি কার্যক্রম চলছে।
এদিকে তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবরণীতে তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে ঢাকার গাবতলী থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত সড়কে কোনো ধরনের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো যাবে না।ওইদিন সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে স্মৃতিসৌধের ফুলের বাগানের কোনোরকম ক্ষতি না করার জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।