বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লিখিত, বাছাই ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। শিগগিরই তিনটি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন মোট ১৩ হাজার ৫৯৯টি শূন্যপদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত পরিপত্র প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫-এর ক্ষমতাবলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের সুপারিশের দায়িত্ব এনটিআরসিএ’র কাছে ন্যস্ত করা হয়েছে।
পরিপত্র অনুযায়ী, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট—এই পদগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে।
শূন্যপদের চাহিদা নির্ধারণে সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতি বছর অন্তত একবার অথবা সরকার নির্ধারিত সময়ে শূন্যপদের তথ্য এনটিআরসিএ’র কাছে পাঠাবে।
নিয়োগের জন্য আবেদনকারীদের অবশ্যই সংশ্লিষ্ট নীতিমালায় উল্লেখিত ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের মধ্যে যোগ্যতা যাচাইয়ে লিখিত ও বাছাই পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে মোট নম্বরের কমপক্ষে ৪০ শতাংশ অর্জন করতে হবে।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে শূন্যপদের সর্বোচ্চ তিনগুণ প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। এরপর লিখিত, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও মৌখিক পরীক্ষার মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী পদভিত্তিক তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নিয়োগ সুপারিশের ক্ষেত্রে প্রার্থীরা সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম দিতে পারবেন। পছন্দের বাইরে অন্য প্রতিষ্ঠানে যোগদানে আগ্রহী হলে অনলাইনে আলাদা সম্মতি দিতে হবে। প্রার্থীদের পছন্দ ও মেধাক্রম বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি শূন্যপদের বিপরীতে একজন করে প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে।
নির্বাচিত প্রার্থীকে এনটিআরসিএ নিয়োগ সুপারিশপত্র প্রদান করবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অবহিত করবে। সুপারিশ পাওয়ার এক মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে নিয়োগপত্র প্রদান করতে হবে।
তবে কোনো প্রার্থী ফৌজদারি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হলে বা বিভাগীয় শাস্তি পেলে তিনি এ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
এ ছাড়া বিদ্যমান কোনো বিধিমালা যদি নতুন পরিপত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রয়োজনীয় সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২৭/২, দূর্গাপুর, উপর রাজারামপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৬৩০০
২০২৫ © দৈনিক অধিকার কতৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত