চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল তৈরি করার সময় বিস্ফোরণের ঘটনায় জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি শরীফ উদ্দীন দুলালকে (৪০) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। দুলাল সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাঁটাপাড়া গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মো. কালামের বসতবাড়িতে চলছিল ককটেল তৈরির কাজ। এই কাজে এলাকার বাইরে থেকে কারিগর আনা হয়েছিল দুলালের মাধ্যমে। বিস্ফোরণের পর থেকেই তিনি গা ঢাকা দেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাজশাহী মেডিকেলের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, তদন্তের প্রেক্ষিতে দুলালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে তোলা হবে এবং রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত শনিবার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ফাঁটাপাড়া গ্রামের বসতবাড়িতে কয়েকজন ককটেল তৈরির সরঞ্জামসহ অবস্থান করছিল। হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে, যার তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। গুরুতর আহত তিনজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ১০ জনের নাম উল্লেখ ও আরও ৮–১০ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিহতরা হলেন—সদর উপজেলার রাণিহাটি ইউনিয়নের ওপর ধুমিহায়াতপুর এলাকার মোয়াজ্জেমের ছেলে আলামিন (২০), শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের মনিরুল ইসলামের ছেলে জিহাদ (১৭)
আহত তিনজন হলেন—সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাঁটাপাড়া গ্রামের মো. বজলুর রহমান (২০),মো. মিনহাজ (২২),রাণিহাটি ইউনিয়নের উপরধুমি এলাকার মো. শুভ (২০),
আহত বজলুর রহমান ও মিনহাজ ককটেল তৈরির মূলহোতা দুলালের চাচা ও ভাতিজা।