কক্সবাজারের উখিয়ার ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দোকানের বকেয়া টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মো. ওবায়দুল হক লালু (৩০) নামে এক স্থানীয় যুবক আহত হয়েছেন। শুক্রবার জুমার নামাজের পর ক্যাম্পের সি/০২ ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ওবায়দুল হক লালু উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের হাকিমপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্প-১৪-এর সি/০২ ব্লকে দোকানের বাকি টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে লালুর সঙ্গে মো. ইউনুস নামে এক ব্যক্তির কথা-কাটাকাটি হয়। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে আরএসও সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
পরে ইউনুস আগ্নেয়াস্ত্র বের করে গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে লালুর পায়ে গুলি লাগে। স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ক্যাম্প-১৪ এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী খতিজা বেগমের দাবি, জুমার নামাজের পর ইউনুস কোমর থেকে অস্ত্র বের করে পরপর দুই রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এর মধ্যে একটি গুলি লালুর পায়ে লাগে। ঘটনার পর ক্যাম্প এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয় এবং অভিযুক্তরা ক্যাম্পের ভেতরে চলে যান বলে তিনি জানান।
পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ক্যাম্পের ভেতর থেকে এসে স্থানীয় এক যুবককে আহত করে আবার ক্যাম্পের দিকে চলে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত যুবককে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, দোকানের বকেয়া টাকা ও জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মো. ইউনুস কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে গুলি চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এতে লালু নামে একজনের পায়ে গুলি লাগে।
ওসি আরও বলেন, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পর জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ ওঠা মো. ইউনুসের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে তার পক্ষের বক্তব্য প্রতিবেদনে যুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা পরিষদ মার্কেট, তলা, রুম নং-২৩, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৬৩০০।
২০২৬ © দৈনিক অধিকার কতৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত