সৌদি আরবে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার প্রবাসী রবিউল ইসলাম হৃদয়ের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার খাজুরা ইউনিয়নের মহিষডাঙ্গা ভট্টপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
রবিউল ইসলাম হৃদয় মহিষডাঙ্গা গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে। তার মরদেহ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে সৌদি আরব থেকে দেশে পৌঁছায়। পরে প্রশাসনের সহযোগিতায় রাতেই মরদেহটি গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়।
মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজন ও স্থানীয়রা সেখানে ভিড় করেন। প্রিয়জনকে শেষবারের মতো দেখতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।
স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফেরানোর আশায় প্রায় পাঁচ বছর আগে ধারদেনা করে সৌদি আরবে যান রবিউল। দেশটিতে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাকে অনেকটা গোপনে কাজ করতে হয়েছে। প্রায় তিন বছর পর তিনি বৈধ কাগজপত্র পান।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত দেড় বছরে রবিউল কিছু ঋণ পরিশোধ করতে সক্ষম হলেও পরিবারের নেওয়া পুরো ঋণ এখনো পরিশোধ হয়নি।
সম্প্রতি সৌদি আরবের একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে রবিউলসহ নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার তিন প্রবাসী নিহত হন। তাদের মধ্যে রবিউলের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছালেও বাকি দুজনের মরদেহ এখনো দেশে আনা সম্ভব হয়নি।
নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল ইমরান খান জানান, সৌদি আরবে নিহত উপজেলার আরও দুই প্রবাসীর মরদেহ শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুত দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।
উপজেলা পরিষদ মার্কেট, তলা, রুম নং-২৩, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৬৩০০।
২০২৬ © দৈনিক অধিকার কতৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত