ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে অচেতন অবস্থায় রেখে যাওয়া ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করেছে তার পরিবার। নিহত ব্যক্তির নাম ওবায়দুল হক মল্লিক সবুজ (৫৪)। তিনি ঢাকার ধামরাইয়ে প্রতীক সিরামিক কোম্পানির ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোররাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ শনাক্ত করেন।
নিহতের ছেলে জাহিদুল হক মল্লিক তামিম জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি জামালপুর সদর উপজেলার শীতলকুশা গ্রামে। বর্তমানে তারা সাভারের ব্যাংক কলোনিতে বসবাস করেন। তার বাবা ধামরাইয়ে প্রতীক সিরামিক কোম্পানির ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন এবং বেশির ভাগ সময় সেখানেই থাকতেন।
তামিম আরও জানান, তার বাবা সুস্থ ছিলেন। শুক্রবার তিনি কোথায় যাচ্ছিলেন, তা পরিবারের সদস্যদের জানা ছিল না। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়েও তারা নিশ্চিত নন।
শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনমথ হালদার জানান, শুক্রবার দুপুরে দুই ব্যক্তি ওবায়দুল হক মল্লিক সবুজকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে যান। পরে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রথমে ওই ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা নিয়ে তথ্য ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, নিহত ব্যক্তির দুই স্ত্রী ছিলেন। ধামরাইয়ে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাতুল হকের বাসায় বেশির ভাগ সময় থাকতেন। শুক্রবার ওই বাসা থেকেই তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। তার দুই স্ত্রীর কাছ থেকেই লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। মৃত্যুর ঘটনায় তারা কোনো অভিযোগ করেননি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ধারণা, চলন্ত বাসে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে দুই ব্যক্তি তাকে সেখানে রেখে চলে যান। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলেও জানান এসআই মনমথ হালদার।
পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উপজেলা পরিষদ মার্কেট, (২য় তলা) রুম নং-২৩, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৬৩০০
২০২৫ © দৈনিক অধিকার কতৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত