
অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে নিজ দেশে ফিরছেন সেই অন্তঃসত্বা সোনালী । শুক্রবার রাত পৌনে আটটার দিকে ভারত ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের মাধ্যমে ভারতীয় কর্তপক্ষের কাছে হস্তান্তরিত হয়েছেন তিনি। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন সেন্টার দিয়ে তাকে ও তার ছেলে কে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় তার সাথে থাকা তার শিশু সন্তান মো: সাব্বির(৮) কেও হস্তান্তর করা হয়। তবে এখনও(রাত সাড়ে ৮ টা পর্যন্ত) সোনালীর স্বামী ও বাকী ৪ জনকে হস্তান্তর করা হয়নি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার , ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্ণেল গোলাম কিবরিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ সহ অন্যান্যরা।ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দর্জিপাড়া পাইকড় এলাকার বাসিন্দা সোনালী খাতুন এ সময়ে আনন্দে কেঁদে ফেলেন।তিনি ও তার সন্তান চান তার সাথে থাকা সবাই তার সাথে বাড়ি ফিরুক। প্রসঙ্গত. ২০ জুন দিল্লীতে তাদের জোরপূর্বক গ্রেফতার এবং ২৬ জুন বাংলাদেশের কুঁড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে পুশইন করে। কিছুদিন কুড়িগ্রাম ও ঢাকায় অবস্থানের পর তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জে আসেন এই ছয় ভারতীয় নাগরিক। পরে গোয়েন্দা তথ্যে ভিত্তিতে ২০ আগষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের আলীনগর ভূতপুকুরের একটি বাড়ী থেকে তাদের আটক করে পুলিশ। পরে তাদের বিরুদ্ধে সীমান্তে অনুপ্রবেশ আইনে মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে ওই ছয়জনের মধ্যে দুইজন কোলের শিশু হওয়ার মামলায় তাদের আসামী করা হয়নি। বর্তমানে সোনালী এবং তার অন্যান্য সদস্যরা আদালতের মাধ্যমে জামিনে মুক্ত রয়েছেন এবং মামলা পরবর্তী হাজিরা আগামী ২৩ ডিসেম্বর।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 






















