ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
হুমকি পেয়েই যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে বোমারু বিমান সরায় যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প মুন্সীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর নারীর মরদেহ উদ্ধার কর্মসংস্থানের দাবিতে রাতভর অবস্থান, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চান প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটরা দেশভাগের পর প্রথমবার আসাম থেকে ঢাকায় আন্তর্জাতিক নৌপথে পণ্য পরিবহন পঞ্চগড়ে রিকশাচালক হত্যা মামলায় সাবেক এমপি নাইমুজ্জামান মুক্তা গ্রেপ্তার ধর্ম অবমাননার মামলায় সৌদি আরবে লঙ্কান যুবকের মৃত্যুদণ্ড ‘মক্কা চুক্তি’ সক্রিয়, সৌদিতে সেনা পাঠাবে তুরস্ক-পাকিস্তান মেসি-পরবর্তী আর্জেন্টিনায় কারা হবেন নতুন ভরসা বিস্ময় বালক থেকে কিংবদন্তি, মেসির উত্তরাধিকার মিরপুরে রুটি চুরির অভিযোগে পথশিশুকে মারধর, নিরাপত্তাকর্মী আটক

হুমকি পেয়েই যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে বোমারু বিমান সরায় যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ১০:৫১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৩২ Time View

যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে প্রায় এক ডজন বি-১ বোমারু বিমান সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে মার্কিন বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার পেছনে নিরাপত্তা হুমকি ছিল বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, ঘাঁটিতে হামলার আশঙ্কা সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরই সেখানে থাকা বিমানগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।

রোববার পেন্টাগন জানায়, ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে থাকা প্রায় এক ডজন বি-১ বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্রের নিজ নিজ ঘাঁটিতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সোমবার নেব্রাস্কার উদ্দেশে ওয়াশিংটন ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দুর্ঘটনাজনিত ছিল না।

ট্রাম্প বলেন, ঘাঁটিকে ঘিরে কিছু হুমকি ছিল এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকেই অবগত ছিল। শত্রুপক্ষকে সুযোগ দেওয়ার পরিবর্তে ঝুঁকি এড়িয়ে বিমানগুলো কিছুটা দূরে সরিয়ে নেওয়াই ভালো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

হুমকির উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু না জানালেও ট্রাম্প দাবি করেন, কারা হুমকি দিয়েছে সে বিষয়ে ওয়াশিংটন অবগত।

ফেয়ারফোর্ড থেকে বিমান সরিয়ে নেওয়ার পেছনে ঠিক কী ধরনের হুমকি কাজ করেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ওয়াশিংটনের কয়েকটি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, নাশকতার চেষ্টা অথবা ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে ঘাঁটিতে থাকা অত্যাধুনিক ও ব্যয়বহুল বোমারু বিমানে হামলার আশঙ্কা থেকেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এ প্রসঙ্গে ইউক্রেনের ‘অপারেশন স্পাইডারওয়েব’-এর উদাহরণ দিয়েছে। গত বছর রাশিয়ার পাঁচটি বিমানঘাঁটিতে চালানো ওই গোপন ড্রোন হামলার মাধ্যমে দূরবর্তী অবস্থান থেকেও সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানার সক্ষমতা দেখানো হয়েছিল। সূত্রটির মতে, হুমকির ধরন যাই হোক, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।

ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর একটি ঘটনার পরও নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ে। ওই দিন ঘাঁটির কাছে তিনটি সন্দেহজনক যানবাহন দেখা যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশকে সতর্ক করা হয়। ঘটনাটি সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ তদন্ত করছে। প্রথমে পাঁচজনকে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হলেও পরে তারা জামিনে মুক্তি পান। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাজ্য ও ইরানের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়; তাকেও পরে জামিন দেওয়া হয়।

ঘটনার সঙ্গে ইরানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিলেও তেহরান তা জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামও ঘটনায় ইরানের ভূমিকার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ থাকার কথা বলেছিলেন, যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি।

বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার পেছনে নিরাপত্তা হুমকির বিষয়টি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্য, ‘অতিরিক্ত সতর্কতা’ হিসেবে বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিষয়টি নিয়ে তুলনামূলক সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সামরিক ইউনিট ও সরঞ্জাম স্থানান্তর বা পুনর্বিন্যাস করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়।

রুবিওর মতে, সামরিক মহড়া, মোতায়েন পরিবর্তন কিংবা নতুন বিমান ও সেনা সদস্যের আসা-যাওয়ার অংশ হিসেবেও সামরিক সম্পদ সরানো হতে পারে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে ওয়াশিংটনের পূর্ণ আস্থার কথা জানান তিনি এবং ঘটনার পর ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার প্রশংসা করেন।

গ্লুচেস্টারশায়ারের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি কয়েক দশক ধরে মার্কিন বিমানবাহিনীর অগ্রবর্তী ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে বি-১ ও বি-৫২ বোমারু বিমান পরিচালনার ক্ষেত্রেও ঘাঁটিটি ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক হামলার জন্য ঘাঁটিটি ব্যবহারে যুক্তরাজ্য অনুমতি দেওয়ার পর ফেয়ারফোর্ডের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বেড়েছিল।

প্রতিরক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের (আরইউএসআই) গবেষণা বিশ্লেষক ক্রিস্টফ বার্গস রয়টার্সকে বলেন, ফেয়ারফোর্ড থেকে বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে দ্রুত বিমান হামলা চালানোর সক্ষমতা কিছুটা কমতে পারে। তবে যুক্তরাজ্য শুধু প্রতিরক্ষামূলক হামলার জন্য ঘাঁটিটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ায় এর ব্যবহার এমনিতেই সীমিত ছিল।

বিকল্প হিসেবে বিমানগুলো ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া অথবা উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন ঘাঁটিতে পাঠানো হতে পারে। তবে এ সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট ঘাঁটিগুলোর সক্ষমতা, মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর।

জনপ্রিয় সংবাদ

হুমকি পেয়েই যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে বোমারু বিমান সরায় যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

হুমকি পেয়েই যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে বোমারু বিমান সরায় যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

প্রকাশের সময়ঃ ১০:৫১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে মার্কিন বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার পেছনে নিরাপত্তা হুমকি ছিল বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, ঘাঁটিতে হামলার আশঙ্কা সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরই সেখানে থাকা বিমানগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়।

রোববার পেন্টাগন জানায়, ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে থাকা প্রায় এক ডজন বি-১ বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্রের নিজ নিজ ঘাঁটিতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সোমবার নেব্রাস্কার উদ্দেশে ওয়াশিংটন ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দুর্ঘটনাজনিত ছিল না।

ট্রাম্প বলেন, ঘাঁটিকে ঘিরে কিছু হুমকি ছিল এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকেই অবগত ছিল। শত্রুপক্ষকে সুযোগ দেওয়ার পরিবর্তে ঝুঁকি এড়িয়ে বিমানগুলো কিছুটা দূরে সরিয়ে নেওয়াই ভালো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

হুমকির উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু না জানালেও ট্রাম্প দাবি করেন, কারা হুমকি দিয়েছে সে বিষয়ে ওয়াশিংটন অবগত।

ফেয়ারফোর্ড থেকে বিমান সরিয়ে নেওয়ার পেছনে ঠিক কী ধরনের হুমকি কাজ করেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ওয়াশিংটনের কয়েকটি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, নাশকতার চেষ্টা অথবা ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে ঘাঁটিতে থাকা অত্যাধুনিক ও ব্যয়বহুল বোমারু বিমানে হামলার আশঙ্কা থেকেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এ প্রসঙ্গে ইউক্রেনের ‘অপারেশন স্পাইডারওয়েব’-এর উদাহরণ দিয়েছে। গত বছর রাশিয়ার পাঁচটি বিমানঘাঁটিতে চালানো ওই গোপন ড্রোন হামলার মাধ্যমে দূরবর্তী অবস্থান থেকেও সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানার সক্ষমতা দেখানো হয়েছিল। সূত্রটির মতে, হুমকির ধরন যাই হোক, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।

ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর একটি ঘটনার পরও নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ে। ওই দিন ঘাঁটির কাছে তিনটি সন্দেহজনক যানবাহন দেখা যাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশকে সতর্ক করা হয়। ঘটনাটি সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ তদন্ত করছে। প্রথমে পাঁচজনকে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হলেও পরে তারা জামিনে মুক্তি পান। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাজ্য ও ইরানের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়; তাকেও পরে জামিন দেওয়া হয়।

ঘটনার সঙ্গে ইরানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিলেও তেহরান তা জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামও ঘটনায় ইরানের ভূমিকার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ থাকার কথা বলেছিলেন, যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি।

বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার পেছনে নিরাপত্তা হুমকির বিষয়টি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্য, ‘অতিরিক্ত সতর্কতা’ হিসেবে বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিষয়টি নিয়ে তুলনামূলক সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সামরিক ইউনিট ও সরঞ্জাম স্থানান্তর বা পুনর্বিন্যাস করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়।

রুবিওর মতে, সামরিক মহড়া, মোতায়েন পরিবর্তন কিংবা নতুন বিমান ও সেনা সদস্যের আসা-যাওয়ার অংশ হিসেবেও সামরিক সম্পদ সরানো হতে পারে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে ওয়াশিংটনের পূর্ণ আস্থার কথা জানান তিনি এবং ঘটনার পর ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের সহযোগিতার প্রশংসা করেন।

গ্লুচেস্টারশায়ারের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি কয়েক দশক ধরে মার্কিন বিমানবাহিনীর অগ্রবর্তী ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে বি-১ ও বি-৫২ বোমারু বিমান পরিচালনার ক্ষেত্রেও ঘাঁটিটি ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক হামলার জন্য ঘাঁটিটি ব্যবহারে যুক্তরাজ্য অনুমতি দেওয়ার পর ফেয়ারফোর্ডের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বেড়েছিল।

প্রতিরক্ষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের (আরইউএসআই) গবেষণা বিশ্লেষক ক্রিস্টফ বার্গস রয়টার্সকে বলেন, ফেয়ারফোর্ড থেকে বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে দ্রুত বিমান হামলা চালানোর সক্ষমতা কিছুটা কমতে পারে। তবে যুক্তরাজ্য শুধু প্রতিরক্ষামূলক হামলার জন্য ঘাঁটিটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ায় এর ব্যবহার এমনিতেই সীমিত ছিল।

বিকল্প হিসেবে বিমানগুলো ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া অথবা উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন ঘাঁটিতে পাঠানো হতে পারে। তবে এ সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট ঘাঁটিগুলোর সক্ষমতা, মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর।