
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, দলীয় পক্ষ থেকে নিয়মিত ফোন করে তাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে, এমনকি মন্ত্রিত্ব দেওয়ার কথাও বলা হচ্ছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে সরাইল উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামে স্থানীয়দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, “এখন দল থেকে সকাল-বিকেল টেলিফোন করে। বলে—আসুন, মন্ত্রিত্ব দেব, আসন ছেড়ে দিন।”
তিনি আরও বলেন, “আমার জান থাকতে, শরীরে এক ফোঁটা রক্ত থাকতে মন্ত্রিত্ব কেন, আরও কিছুর বিনিময়েও আমি আমার এলাকার মানুষকে ছেড়ে যাব না।”
মতবিনিময় সভায় রুমিন ফারহানা বলেন, “আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না।” এ বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “খালেদা জিয়া আমাকে রাজনীতিতে নিয়ে এসেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার ভালোবাসা, আশ্রয় ও সহযোগিতায় আমি এতদূর এসেছি। তিনি হাসপাতালে যাওয়ার আগে ২৩ নভেম্বর আমার মনোনয়ন কেন দেওয়া হয়নি—সে প্রশ্নও তুলেছিলেন।” এরপর আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার মা (খালেদা জিয়া) মারা যাওয়ার পর আমাকে বহিষ্কার করা হলো।”
মতবিনিময়কালে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে তাকে একটি হাঁস উপহার দেওয়া হয়। এ সময় রুমিন ফারহানা ঘোষণা দেন, ভোটের জন্য তিনি হাঁস প্রতীক চাইবেন।
উল্লেখ্য, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে জোটপ্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 




















