ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের পদত্যাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) তিনি শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন-এর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উপাচার্য মহোদয় রোববার সকালে মন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন। তবে মন্ত্রণালয় থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি। পদত্যাগপত্র গৃহীত হলে পরবর্তী নিয়মিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক কারণ উল্লেখ করে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, আপৎকালীন পরিস্থিতি কাটিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে একটি ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেখা যাচ্ছে। তাঁর ভাষায়, “দায়িত্ব পালনের পর্বে আমরা একটি ভালো পর্যায়ে পৌঁছেছি—এখন আমি সরে দাঁড়াতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে কোনো শূন্যতা সৃষ্টি না হয় এবং ধারাবাহিকতা ব্যাহত না হয়, সে জন্য সরকার ও অংশীজনেরা প্রয়োজন মনে করলে স্মুথ ট্রানজিশনের স্বার্থে কিছু সময় দেওয়ার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করতে প্রস্তুত।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের পদত্যাগ

প্রকাশের সময়ঃ ০৫:৪০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) তিনি শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন-এর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উপাচার্য মহোদয় রোববার সকালে মন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন। তবে মন্ত্রণালয় থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি। পদত্যাগপত্র গৃহীত হলে পরবর্তী নিয়মিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক কারণ উল্লেখ করে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, আপৎকালীন পরিস্থিতি কাটিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে একটি ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেখা যাচ্ছে। তাঁর ভাষায়, “দায়িত্ব পালনের পর্বে আমরা একটি ভালো পর্যায়ে পৌঁছেছি—এখন আমি সরে দাঁড়াতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে কোনো শূন্যতা সৃষ্টি না হয় এবং ধারাবাহিকতা ব্যাহত না হয়, সে জন্য সরকার ও অংশীজনেরা প্রয়োজন মনে করলে স্মুথ ট্রানজিশনের স্বার্থে কিছু সময় দেওয়ার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করতে প্রস্তুত।