ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

হাইকোর্ট গ্রাম আদালত আইনের সাংবিধানিকতা নিয়ে রুল জারি

ফাইল ছবি।

হাইকোর্ট গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ নির্দেশ দেন। আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন, যাতে গ্রাম আদালত আইনকে সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করে বাতিল করার দাবি করা হয়।

রিটে বলা হয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের নীতির বিপরীত, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার নীতির প্রতি আপত্তিকর। রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিচার পরিচালনা ন্যায়বিচারের মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

আবেদনকারীর দাবি, সংবিধানের ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিক স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকারী। তবে গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারকের অভাব, প্রমাণ আইনের পূর্ণ প্রয়োগ না হওয়া এবং আইনজীবীর সীমিত অংশগ্রহণের কারণে ন্যায়বিচারের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া ভৌগোলিক ভিত্তিতে আলাদা বিচার ব্যবস্থা নাগরিকদের সমতার অধিকার লঙ্ঘন করছে।

হাইকোর্ট বেঞ্চ সরকারকে চার সপ্তাহের মধ্যে রিটের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাইকোর্ট গ্রাম আদালত আইনের সাংবিধানিকতা নিয়ে রুল জারি

প্রকাশের সময়ঃ ০২:০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হাইকোর্ট গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ নির্দেশ দেন। আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন, যাতে গ্রাম আদালত আইনকে সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করে বাতিল করার দাবি করা হয়।

রিটে বলা হয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদের নীতির বিপরীত, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার নীতির প্রতি আপত্তিকর। রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিচার পরিচালনা ন্যায়বিচারের মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

আবেদনকারীর দাবি, সংবিধানের ৩৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিক স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে বিচার পাওয়ার অধিকারী। তবে গ্রাম আদালতে প্রশিক্ষিত বিচারকের অভাব, প্রমাণ আইনের পূর্ণ প্রয়োগ না হওয়া এবং আইনজীবীর সীমিত অংশগ্রহণের কারণে ন্যায়বিচারের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া ভৌগোলিক ভিত্তিতে আলাদা বিচার ব্যবস্থা নাগরিকদের সমতার অধিকার লঙ্ঘন করছে।

হাইকোর্ট বেঞ্চ সরকারকে চার সপ্তাহের মধ্যে রিটের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।