ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
বার্ষিক শিক্ষা জরিপে তথ্য না দেওয়ায়

দেশের ১৫৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন স্থগিত

সংগৃহতি ছবি।

 বার্ষিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জরিপ ২০২৫-এ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা না দেওয়ায় দেশের ১৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ইআইআইএন) সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো

প্রতিষ্ঠানটির পরিসংখ্যান বিভাগের পরিচালক প্রফেসর মো. গোলাম ফিরোজ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের বার্ষিক শিক্ষা জরিপ কার্যক্রম গত ২০ অক্টোবর শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল। বর্ধিত সময়ের মধ্যেও যেসব প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত তথ্য আপলোড করেনি, তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান ও টেলিফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে জানা গেছে—তালিকাভুক্ত কিছু প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ, কয়েকটির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি এবং কিছু প্রতিষ্ঠান কেবল স্বল্পমেয়াদি কোর্স পরিচালনা করছে।

সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রত্যয়ন ও সুপারিশের ভিত্তিতেই স্থগিতাদেশ কার্যকর করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

এ সিদ্ধান্তের ফলে ব্যানবেইসের ডাটাবেজে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ইআইআইএন নম্বর আপাতত অকার্যকর থাকবে। সংযুক্ত তালিকায় থাকা ১৫৮টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বার্ষিক শিক্ষা জরিপে তথ্য না দেওয়ায়

দেশের ১৫৮ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন স্থগিত

প্রকাশের সময়ঃ ০২:১৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 বার্ষিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জরিপ ২০২৫-এ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা না দেওয়ায় দেশের ১৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ইআইআইএন) সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো

প্রতিষ্ঠানটির পরিসংখ্যান বিভাগের পরিচালক প্রফেসর মো. গোলাম ফিরোজ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের বার্ষিক শিক্ষা জরিপ কার্যক্রম গত ২০ অক্টোবর শুরু হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল। বর্ধিত সময়ের মধ্যেও যেসব প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত তথ্য আপলোড করেনি, তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধান ও টেলিফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে জানা গেছে—তালিকাভুক্ত কিছু প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ, কয়েকটির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি এবং কিছু প্রতিষ্ঠান কেবল স্বল্পমেয়াদি কোর্স পরিচালনা করছে।

সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রত্যয়ন ও সুপারিশের ভিত্তিতেই স্থগিতাদেশ কার্যকর করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

এ সিদ্ধান্তের ফলে ব্যানবেইসের ডাটাবেজে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ইআইআইএন নম্বর আপাতত অকার্যকর থাকবে। সংযুক্ত তালিকায় থাকা ১৫৮টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।