
দেশজুড়ে তদন্ত ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত মোট ৪৮১ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য মো. আব্দুল মালিক (সিলেট-৩) উত্থাপিত ৭১ বিধির নোটিশের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
নোটিশে সংসদ সদস্য আব্দুল মালিক অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনেক অযোগ্য ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর ফলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা বঞ্চিত হয়েছেন এবং কিছু অসাধু ব্যক্তি রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। বিশেষ করে সিলেটের বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা এলাকায় এ ধরনের অনিয়ম বেশি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জবাবে মন্ত্রী বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের গর্ব ও শ্রেষ্ঠ সন্তান। তবে কিছু ব্যক্তি অনিয়মের মাধ্যমে তালিকায় ঢুকে পড়েছেন, যাদের চিহ্নিত করার কাজ চলমান রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত শুনানি ও যাচাই-বাছাই করছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের সনদ ও গেজেট বাতিল করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, প্রবাসে থাকা যেসব মুক্তিযোদ্ধা এখনো ডিজিটাল সনদ বা স্মার্ট আইডি পাননি, তাদের দ্রুত তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সংসদ সদস্যের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী আশ্বাস দেন, দক্ষিণ সুরমা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের কাজ দ্রুত শেষ করা হবে। পাশাপাশি বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ ও সংস্কারের বিষয়টিও সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্যে তিনি শিগগিরই সিলেট অঞ্চলের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহ পরিদর্শন করবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 






















