
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশ (এনডিবি) এবং রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম (এসডিএফ)-এর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষের দাবি অনুযায়ী, এ ঘটনায় নতুন ধারা বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, জুলাই যোদ্ধা ও এসডিএফ নেতা আ ন ম আয়াসসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুন ধারা বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। কর্মসূচিটি ছিল গত ১ আগস্ট শান্তা ফারজানার ওপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, মাটিতে উপুড় হয়ে থাকা আ ন ম আয়াসের দিকে সেফটি স্টিক হাতে এগিয়ে যাচ্ছেন শান্তা ফারজানা। ভিডিওটি ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ভিডিওটির সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের (এসডিএফ) নেতাদের দাবি, বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় শান্তা ফারজানা জুলাই যোদ্ধা ও বিএনপিকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। এর প্রতিবাদ জানাতে গেলে নতুন ধারা বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আ ন ম আয়াসসহ সংগঠনটির কয়েকজন নেতা আহত হন বলে তারা দাবি করেন।
অন্যদিকে নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মেহেদি মোমিন অভিযোগ করেন, গত ১ আগস্টের ঘটনার প্রতিবাদে তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলছিল। এ সময় আ ন ম আয়াসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি এসে কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তাঁর অভিযোগ, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন সাংবাদিকের মোবাইল ফোনও নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নতুন ধারা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর শান্তা ফারজানাসহ তাদের কয়েকজন নেতাকর্মীকে হাসপাতালের ভেতরে কিছু সময়ের জন্য আটকে রাখা হয়। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে।
উল্লেখ্য, গত ১ আগস্টও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে আ ন ম আয়াসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তিকে শান্তা ফারজানাকে আঘাত করতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
অধিকার ডেস্ক: 























