
ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহিংসতা ও দমন-পীড়নের রাজনীতি মেনে নেওয়া হবে না। তিনি দাবি করেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নের দাবি তোলায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে রাজধানীর পল্টনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
নূরুল ইসলামের দাবি, শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়ন হলে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং অনিয়ম বা অবৈধ সুবিধা নেওয়ার সুযোগ কমে যাবে। তাঁর অভিযোগ, এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে সাধারণ শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) প্রতিনিধিদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে হামলা হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গুজবের ভিত্তিতে থানার ভেতরে ডাকসুর নেতাদের ওপর হামলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের ঘটনার পর জকসুর ভিপি ও জিএসের ওপর হামলার মতো ঘটনাও ঘটেছে।
শিবির সভাপতি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষাঙ্গনে গণতান্ত্রিক, সহনশীল ও ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে ওঠার যে প্রত্যাশা ছিল, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তা ব্যাহত করছে।
এ সময় তিনি আরও দাবি করেন, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, জ্বালানি সংকট এবং জনভোগান্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থেকে জনমত অন্যদিকে সরিয়ে নিতে কিছু রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিন দফা দাবি তুলে ধরে ইসলামী ছাত্রশিবির। দাবিগুলো হলো—
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) জিএস আব্দুল আলিম আরিফের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনা।
ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার ছাত্রাবাসের ব্যবস্থাপনা শিক্ষার্থীদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়ন।
এ বিষয়ে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অধিকার ডেস্ক: 






















