ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ

মমেক হাসপাতালে হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৩৬

বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ৭২ জন হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হাসপাতালটিতে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ জনে। বর্তমানে হাসপাতালে ৭২ জন হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়। গত ২০ মে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শিশুটি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাংগামাটিয়া ইউনিয়নের পাহাড় অনন্তপুর এলাকার বাসিন্দা।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, শিশুটি নিউমোনিয়া, সেরিব্রাল পালসি, মৃগী রোগ, গ্লোবাল ডেভেলপমেন্টাল ডিলে এবং তীব্র হাম সংক্রমণে ভুগছিল। এসব জটিলতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা।

হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৭ মার্চ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত মমেক হাসপাতালে মোট ১ হাজার ৫৭৯ জন হাম রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৪৭১ জন।

মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, অনেক শিশু জটিল শারীরিক অবস্থা নিয়ে হাসপাতালে আসছে, ফলে চিকিৎসা কার্যক্রম আরও কঠিন হয়ে পড়ছে। তিনি অভিভাবকদের শিশুদের মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের হাম প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিত করা গেলে এ রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

জনপ্রিয় সংবাদ

মমেক হাসপাতালে হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৩৬

মমেক হাসপাতালে হামে আরও এক শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৩৬

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হাসপাতালটিতে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ জনে। বর্তমানে হাসপাতালে ৭২ জন হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়। গত ২০ মে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শিশুটি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাংগামাটিয়া ইউনিয়নের পাহাড় অনন্তপুর এলাকার বাসিন্দা।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, শিশুটি নিউমোনিয়া, সেরিব্রাল পালসি, মৃগী রোগ, গ্লোবাল ডেভেলপমেন্টাল ডিলে এবং তীব্র হাম সংক্রমণে ভুগছিল। এসব জটিলতার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা।

হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৭ মার্চ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত মমেক হাসপাতালে মোট ১ হাজার ৫৭৯ জন হাম রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৪৭১ জন।

মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, অনেক শিশু জটিল শারীরিক অবস্থা নিয়ে হাসপাতালে আসছে, ফলে চিকিৎসা কার্যক্রম আরও কঠিন হয়ে পড়ছে। তিনি অভিভাবকদের শিশুদের মধ্যে হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের হাম প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিত করা গেলে এ রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।