ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

অপহৃত শিশু সামিহা কে ফেরত চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বাবা

ছবি-মানববন্ধনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন সামিহার বাবা

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিহা (১৪) অপহরণের এক মাস হতে চললেও এখনও তার কোনো খোঁজ মিলছে না। দীর্ঘ এই অপেক্ষা ও পুলিশের উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শনিবার বেলা ১১টার দিকে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী পরিবার, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২৬ অক্টোবর সামিহাকে অপহরণের পর পরদিনই মামলা করা হলেও পুলিশ এখনো কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। পরিবার বারবার থানায় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে গেলেও প্রতিবারই আশ্বাস ছাড়া কিছুই পাচ্ছে না। মানববন্ধনে সামিহার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, স্থানীয় জনসাধারণ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।

তারা প্লেকার্ড হাতে দ্রুত সামিহাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করার দাবি তুলে ধরেন। এ সময় বক্তব্য দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন সামিহার বাবা ও পুঠিয়া পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, “আমার শিশুকন্যাকে ২৬ অক্টোবর মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গেছে একদল মাদক কারবারি। আমার মেয়ে কোথায় আছে, কী অবস্থায় আছে—কিছুই জানি না। প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমি হাতজোড় করে বলছি, আমার মেয়েকে আমাকে ফিরিয়ে দিন।”ঘটনার পরদিন ২৭ অক্টোবর মিজানুর রহমান পুঠিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় হৃদয় (২৪), শরিফুল ইসলাম (৪৫), রোজিনা বেগম (৪০), সেলিম (৩০), নোমান (২২), এন্তাজ মন্ডল (৪০)সহ তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। তবে এক মাস পার হলেও মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান পরিবারের সদস্যরা।এই বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুঠিয়া সার্কেল) কুদরত-ই-খুদা শুভ বলেন, “ঘটনাটি আমরা গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি। এখনো মেয়েটিকে ট্রেস করতে পারিনি। আমাদের মূল ট্রেসিং পদ্ধতি ডিভাইসলোকেশন-কিন্তু সংশ্লিষ্টদের ব্যবহৃত ডিভাইস এতদিন অ্যাকটিভেট হয়নি। এ কারণে আলাদা একটি টিম কাজ করছে। তদন্তের আগে চাপ তৈরি হলে কার্যক্রম আরও কঠিন হয়ে যায়।” তিনি আরও আশ্বস্ত করেন যে, সামিহাকে উদ্ধারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

অপহৃত শিশু সামিহা কে ফেরত চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বাবা

প্রকাশের সময়ঃ ১০:২৭:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিহা (১৪) অপহরণের এক মাস হতে চললেও এখনও তার কোনো খোঁজ মিলছে না। দীর্ঘ এই অপেক্ষা ও পুলিশের উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করে শনিবার বেলা ১১টার দিকে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী পরিবার, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ২৬ অক্টোবর সামিহাকে অপহরণের পর পরদিনই মামলা করা হলেও পুলিশ এখনো কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। পরিবার বারবার থানায় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে গেলেও প্রতিবারই আশ্বাস ছাড়া কিছুই পাচ্ছে না। মানববন্ধনে সামিহার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, স্থানীয় জনসাধারণ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।

তারা প্লেকার্ড হাতে দ্রুত সামিহাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করার দাবি তুলে ধরেন। এ সময় বক্তব্য দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন সামিহার বাবা ও পুঠিয়া পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, “আমার শিশুকন্যাকে ২৬ অক্টোবর মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গেছে একদল মাদক কারবারি। আমার মেয়ে কোথায় আছে, কী অবস্থায় আছে—কিছুই জানি না। প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমি হাতজোড় করে বলছি, আমার মেয়েকে আমাকে ফিরিয়ে দিন।”ঘটনার পরদিন ২৭ অক্টোবর মিজানুর রহমান পুঠিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় হৃদয় (২৪), শরিফুল ইসলাম (৪৫), রোজিনা বেগম (৪০), সেলিম (৩০), নোমান (২২), এন্তাজ মন্ডল (৪০)সহ তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। তবে এক মাস পার হলেও মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান পরিবারের সদস্যরা।এই বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুঠিয়া সার্কেল) কুদরত-ই-খুদা শুভ বলেন, “ঘটনাটি আমরা গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি। এখনো মেয়েটিকে ট্রেস করতে পারিনি। আমাদের মূল ট্রেসিং পদ্ধতি ডিভাইসলোকেশন-কিন্তু সংশ্লিষ্টদের ব্যবহৃত ডিভাইস এতদিন অ্যাকটিভেট হয়নি। এ কারণে আলাদা একটি টিম কাজ করছে। তদন্তের আগে চাপ তৈরি হলে কার্যক্রম আরও কঠিন হয়ে যায়।” তিনি আরও আশ্বস্ত করেন যে, সামিহাকে উদ্ধারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।