ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

ভৈরবে ৭ মাসের শিশু হত্যার দায়ে বাবা আটক

গতকাল দুপুর ১টায় উপজেলা মানিকদী এলাকা থেকে মেরাজকে আটক করা হয়।

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে তানভির ওরফে মোজাহিদ নামের ৭ মাসের শিশু হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার মামলায় অভিযুক্ত প্রধান আসামি বাবা মেরাজ মিয়া (২৪) কে আটক করেছে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা। গতকাল ২ মে শনিবার বিকাল সাড়ে তিনটায় তাকে ভৈরব থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে শনিবার দুপুর ১টায় উপজেলা মানিকদী এলাকা থেকে মেরাজকে আটক করা হয়।
আটকের তথ্য নিশ্চিত করে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান বলেন, বাবার হাতে ৭ মাসের শিশু খুনের ঘটনায় ভৈরবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী পূর্বকান্দা এলাকায়। ঘটনার পর ২৪ এপ্রিল ভৈরব থানায় শিশুটির মা নিজ স্বামীকে প্রধান আসামি করে শাশুড়ি, ননদ ও দুই ভাসুরের নামে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকে ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্প ছায়া তদন্তে নামে। আজ দুপুর ১টায় উপজেলার মানিকদী এলাকা থেকে মেরাজকে আটক করা হয়।
সহকারী পুলিশ সুপার আরো বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেরাজ মিয়া হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। পারিবারিক কলহের জেরে মেরাজ তাঁর সন্তানকে হত্যা করেছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে আসামি মেরাজকে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাবা মেরাজ মিয়া বলেন, আমার স্ত্রী আমাকে অশান্তিতে রেখেছিল। আমার সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতো না। অসুস্থ হওয়ার পর আমি আমার শ্বশুর বাড়ি থেকে বাচ্চা আনার পর ৩ দিন হয়ে গেলেও আমার স্ত্রী সন্তানকে নিতে ও দেখতে আসেনি। আমাকে আমার শ্বশুর বাড়িতে না যেতে হুমকি দিতো। ঘটনার সময় আমার মাথা ঠিক ছিল না।

উল্লেখ্য, ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী পূর্বকান্দা এলাকায় ফসলি মাঠের পাশে একটি ডোবা থেকে ৭ মাসের তানভির ওরফে মোজাহিদের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ছেলেকে হত্যার অভিযোগ উঠে বাবা মেরাজ মিয়ার নামে। অভিযুক্ত বাবা মেরাজ মিয়া মানিকদী পূর্বকান্দা এলাকার মৃত ফেলু মিয়ার ছেলে। ২৪ এপ্রিল শিশুটির মা তাসলিমা বেগম ভৈরব থানায় স্বামী মেরাজ মিয়াকে প্রধান আসামি করে শাশুড়ি রাবেয়া বেগম (৬০) ও ভাসুর আইনুল ইসলাম (৪০), নাজির মিয়া (৪৫) এবং ননদ সাহিদা বেগম (২২) কে আসামি করে ভৈরব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। আসামিরা এলাকার মৃত ফেলু মিয়ার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

ভৈরবে ৭ মাসের শিশু হত্যার দায়ে বাবা আটক

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৪৮:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে তানভির ওরফে মোজাহিদ নামের ৭ মাসের শিশু হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার মামলায় অভিযুক্ত প্রধান আসামি বাবা মেরাজ মিয়া (২৪) কে আটক করেছে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা। গতকাল ২ মে শনিবার বিকাল সাড়ে তিনটায় তাকে ভৈরব থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে শনিবার দুপুর ১টায় উপজেলা মানিকদী এলাকা থেকে মেরাজকে আটক করা হয়।
আটকের তথ্য নিশ্চিত করে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান বলেন, বাবার হাতে ৭ মাসের শিশু খুনের ঘটনায় ভৈরবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী পূর্বকান্দা এলাকায়। ঘটনার পর ২৪ এপ্রিল ভৈরব থানায় শিশুটির মা নিজ স্বামীকে প্রধান আসামি করে শাশুড়ি, ননদ ও দুই ভাসুরের নামে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকে ভৈরব র‌্যাব ক্যাম্প ছায়া তদন্তে নামে। আজ দুপুর ১টায় উপজেলার মানিকদী এলাকা থেকে মেরাজকে আটক করা হয়।
সহকারী পুলিশ সুপার আরো বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেরাজ মিয়া হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। পারিবারিক কলহের জেরে মেরাজ তাঁর সন্তানকে হত্যা করেছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে আসামি মেরাজকে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাবা মেরাজ মিয়া বলেন, আমার স্ত্রী আমাকে অশান্তিতে রেখেছিল। আমার সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতো না। অসুস্থ হওয়ার পর আমি আমার শ্বশুর বাড়ি থেকে বাচ্চা আনার পর ৩ দিন হয়ে গেলেও আমার স্ত্রী সন্তানকে নিতে ও দেখতে আসেনি। আমাকে আমার শ্বশুর বাড়িতে না যেতে হুমকি দিতো। ঘটনার সময় আমার মাথা ঠিক ছিল না।

উল্লেখ্য, ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী পূর্বকান্দা এলাকায় ফসলি মাঠের পাশে একটি ডোবা থেকে ৭ মাসের তানভির ওরফে মোজাহিদের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ছেলেকে হত্যার অভিযোগ উঠে বাবা মেরাজ মিয়ার নামে। অভিযুক্ত বাবা মেরাজ মিয়া মানিকদী পূর্বকান্দা এলাকার মৃত ফেলু মিয়ার ছেলে। ২৪ এপ্রিল শিশুটির মা তাসলিমা বেগম ভৈরব থানায় স্বামী মেরাজ মিয়াকে প্রধান আসামি করে শাশুড়ি রাবেয়া বেগম (৬০) ও ভাসুর আইনুল ইসলাম (৪০), নাজির মিয়া (৪৫) এবং ননদ সাহিদা বেগম (২২) কে আসামি করে ভৈরব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। আসামিরা এলাকার মৃত ফেলু মিয়ার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে।