ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

১৫ জানুয়ারির পর জোরদার হবে যৌথ বাহিনীর অভিযান-ইসি সানাউল্লাহ

সংগৃহীত ছবি।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, অপকর্ম করে কোনো গোষ্ঠী বা দলের পার পাওয়ার সুযোগ নেই। ডেভিল হান্ট ফেজ-টু অভিযানে দুই শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। যৌথ বাহিনীর অভিযানকে আরও গতিশীল করার নির্দেশনা দিয়েছি। বিশেষ করে ১৫ জানুয়ারির পর থেকে এটা আরও বেড়ে যাবে। সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গতিশীলতা আসবে।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা সেলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমদ খান প্রমুখ।

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কোনো রকম শঙ্কা নেই। বরং ভোটাররা ভোট দিতে ভোটকেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে আছেন। মিডিয়ার দায়িত্ব সঠিক তথ্য সঠিক সময়ে তুলে ধরা। অপতথ্য ও গুজব রোধে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। অপতথ্য ছড়ানো যেমন অপরাধ, তেমনি অপতথ্য শেয়ার করাও অপরাধ। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশনার বলেন, যৌথ বাহিনী যেসব অপারেশন করছেন, অপারেশনের পরে তা মিডিয়ায় দিয়ে দেবেন। কোনো গোষ্ঠী বা দল যদি অপকর্ম করে পার পেয়ে যেতে চায় তাহলে তারা যেন উৎসাহিত বোধ না করে। কারণ তারা জানবে, অপকর্ম করলে ধরা পড়তে হবে। অপকর্ম লোকালি থাকবে না; জাতীয় বিষয় হয়ে যাবে।

তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। ৮৫ শতাংশের কাছাকাছি অস্ত্র উদ্ধার হলেও আনুমানিক ১৫ শতাংশ অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। এগুলো খুঁজে পেতে হবে। শতভাগ খুঁজে পাবেন– তা আশা করা যায় না। তবে যারা এগুলো নিয়েছে, তাদের চিহ্নিত বা উদ্ধার করতে পারলে মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়বে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে সংখ্যালঘুদের আবাস আছে। নির্বাচন ঘিরে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল সংখ্যালঘুদের মাঝে বিভিন্ন ঘটনা ঘটানোর প্রয়াস চালাতে পারে। অতীতেও এমনটা ঘটেছে। সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ও সীমান্ত অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক কিছু কর্মকাণ্ড নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

১৫ জানুয়ারির পর জোরদার হবে যৌথ বাহিনীর অভিযান-ইসি সানাউল্লাহ

প্রকাশের সময়ঃ ০৮:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, অপকর্ম করে কোনো গোষ্ঠী বা দলের পার পাওয়ার সুযোগ নেই। ডেভিল হান্ট ফেজ-টু অভিযানে দুই শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। যৌথ বাহিনীর অভিযানকে আরও গতিশীল করার নির্দেশনা দিয়েছি। বিশেষ করে ১৫ জানুয়ারির পর থেকে এটা আরও বেড়ে যাবে। সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গতিশীলতা আসবে।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা সেলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমদ খান প্রমুখ।

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কোনো রকম শঙ্কা নেই। বরং ভোটাররা ভোট দিতে ভোটকেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে আছেন। মিডিয়ার দায়িত্ব সঠিক তথ্য সঠিক সময়ে তুলে ধরা। অপতথ্য ও গুজব রোধে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। অপতথ্য ছড়ানো যেমন অপরাধ, তেমনি অপতথ্য শেয়ার করাও অপরাধ। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশনার বলেন, যৌথ বাহিনী যেসব অপারেশন করছেন, অপারেশনের পরে তা মিডিয়ায় দিয়ে দেবেন। কোনো গোষ্ঠী বা দল যদি অপকর্ম করে পার পেয়ে যেতে চায় তাহলে তারা যেন উৎসাহিত বোধ না করে। কারণ তারা জানবে, অপকর্ম করলে ধরা পড়তে হবে। অপকর্ম লোকালি থাকবে না; জাতীয় বিষয় হয়ে যাবে।

তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। ৮৫ শতাংশের কাছাকাছি অস্ত্র উদ্ধার হলেও আনুমানিক ১৫ শতাংশ অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। এগুলো খুঁজে পেতে হবে। শতভাগ খুঁজে পাবেন– তা আশা করা যায় না। তবে যারা এগুলো নিয়েছে, তাদের চিহ্নিত বা উদ্ধার করতে পারলে মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়বে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে সংখ্যালঘুদের আবাস আছে। নির্বাচন ঘিরে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল সংখ্যালঘুদের মাঝে বিভিন্ন ঘটনা ঘটানোর প্রয়াস চালাতে পারে। অতীতেও এমনটা ঘটেছে। সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ও সীমান্ত অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক কিছু কর্মকাণ্ড নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে।