ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের আইনি সুরক্ষায় অধ্যাদেশ অনুমোদন

সংগৃহীত ছবি।

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি অধ্যাদেশের অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের একটি সুস্পষ্ট অঙ্গীকার ছিল—নতুন বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া হবে। সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হিসেবেই উপদেষ্টা পরিষদ এই অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে।

তিনি জানান, আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করা হবে।

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিরোধের কারণে যদি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা হয়ে থাকে, সেসব মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে সরকার। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রমের জন্য নতুন করে কোনো মামলা করা যাবে না।

তবে কোন ঘটনা রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ এবং কোনটি ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থ থেকে সংঘটিত—তা নির্ধারণের দায়িত্ব মানবাধিকার কমিশনের ওপর দেওয়া হয়েছে বলে জানান আইন উপদেষ্টা। কোনো ভুক্তভোগী পরিবার যদি মনে করে, হত্যাকাণ্ড বা সহিংসতার ঘটনা রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তাহলে তারা মানবাধিকার কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ওই প্রতিবেদন আদালতে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের মতোই গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের আইনি সুরক্ষায় অধ্যাদেশ অনুমোদন

প্রকাশের সময়ঃ ১০:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি অধ্যাদেশের অনুমোদন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের একটি সুস্পষ্ট অঙ্গীকার ছিল—নতুন বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া হবে। সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হিসেবেই উপদেষ্টা পরিষদ এই অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে।

তিনি জানান, আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করা হবে।

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক প্রতিরোধের কারণে যদি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা হয়ে থাকে, সেসব মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে সরকার। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রমের জন্য নতুন করে কোনো মামলা করা যাবে না।

তবে কোন ঘটনা রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ এবং কোনটি ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থ থেকে সংঘটিত—তা নির্ধারণের দায়িত্ব মানবাধিকার কমিশনের ওপর দেওয়া হয়েছে বলে জানান আইন উপদেষ্টা। কোনো ভুক্তভোগী পরিবার যদি মনে করে, হত্যাকাণ্ড বা সহিংসতার ঘটনা রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তাহলে তারা মানবাধিকার কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ওই প্রতিবেদন আদালতে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের মতোই গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে বলে জানান তিনি।