
শিশুদের যথাযথ সুযোগ ও পরিবেশ দেওয়া হলে তারা নিজেদের ভাবনা ও অনুভূতি দারুণভাবে প্রকাশ করতে পারে—এমন মন্তব্য করেছেন সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াশা সোবহান।
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ আয়োজিত ‘ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা ২০২৫’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ইয়াশা সোবহান বলেন, এই আয়োজন কেবল পুরস্কার বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি শিশুদের কল্পনাশক্তি, স্বপ্ন ও সৃজনশীলতার এক অনন্য উদযাপন। শিক্ষার্থীরা তাদের আঁকা ছবির মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও ত্যাগের ইতিহাসকে প্রাণবন্তভাবে তুলে ধরেছে, যা প্রমাণ করে সুযোগ পেলে শিশুরা নিজেদের প্রতিভা অনায়াসেই প্রকাশ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান সবসময় শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক উদ্যোগের পক্ষে থাকেন। তার ভাবনা থেকেই বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি নিজেদের মতো করে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে। তিনি বিশ্বাস করেন, শিক্ষা ও প্রচেষ্টাই সমাজ পরিবর্তনের মূল হাতিয়ার।
অনুষ্ঠানটি তার জন্য ব্যক্তিগতভাবে আবেগঘন ছিল উল্লেখ করে ইয়াশা সোবহান বলেন, বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ তাকে অনুপ্রাণিত করেছে। তাদের সৃজনশীলতা প্রমাণ করেছে—প্রতিভার কোনো সীমারেখা নেই।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী শিল্পগুরু মনিরুল ইসলাম। বিচারকমণ্ডলীতে ছিলেন আবদুস শাকুর শাহ, ফরিদা জামান, আফজাল হোসেন ও ধ্রুব এষ।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাটি দুটি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট ১৪৩ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। উভয় ক্যাটাগরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে চারজন এবং নবম থেকে তৃতীয় স্থান পর্যন্ত সম্মাননা পায় ১৩৯ জন শিক্ষার্থী। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে একজনকে দেওয়া হয় বিশেষ ক্যাটাগরি পুরস্কার।
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৫ হাজার ৮৭১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। প্রতিযোগিতার মূল প্রতিপাদ্য ছিল— ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 























