ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে শিশু অপহরণচেষ্টা, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে যুবদলকর্মীকে অচেতন করে ব্লেড দিয়ে শরীরে জখম দেশের অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করা সরকারের দায়িত্ব: ড. মঈন খান ভৈরবে প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৭০ জনকে উদ্ধার পাবনায় রাসায়নিকে তৈরি হচ্ছে নকল দুধ! গোবরাতলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সিলেটে ডেঙ্গু নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক

অস্তিত্ব সংকটে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী ঢোপকল

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০২:২১:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২৪৮ Time View

রাজশাহী নগরীতে টিকে থাকা একটি ঐতিহাসিক ঢোপকল। সংগৃহীত ছবি

ইতিহাস ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ রাজশাহী নগরীর জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্ন হয়ে আছে ঢোপকল। এক সময় নগরবাসীর নিরাপদ সুপেয় পানির অন্যতম প্রধান উৎস ছিল এই স্থাপনাগুলো। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নগরায়ণ, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং বিভিন্ন উন্নয়নকাজের কারণে রাজশাহীর এই ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো বর্তমানে অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়েছে।

জানা যায়, ১৯৩৭ সালে ঢোপকলের মাধ্যমেই রাজশাহী শহরে আধুনিক পানি সরবরাহ ব্যবস্থার সূচনা হয়েছিল। এক সময় নগরজুড়ে অর্ধশতাধিক ঢোপকল থাকলেও বর্তমানে সচল অবস্থায় রয়েছে মাত্র চার থেকে পাঁচটি। বেলদারপাড়া, ফায়ার সার্ভিস মোড়, পাঠানপাড়া, রাণীবাজার, অলোকার মোড় ও কুমারপাড়া এলাকায় কয়েকটি ঢোপকল এখনো টিকে থাকলেও অনেকগুলোরই অবস্থা বেশ নাজুক।

তথ্য অনুযায়ী, বিশ শতকের তিরিশের দশকে রাজশাহী শহরে নিরাপদ পানির তীব্র সংকট ছিল। পুকুর, কূপ ও অন্যান্য জলাধারের পানির ওপর নির্ভরশীল নগরবাসীর মধ্যে তখন কলেরা, আমাশয়সহ নানা পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ত। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান রায় ডি. এন. দাশগুপ্তের উদ্যোগে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় নিরাপদ পানি সরবরাহের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও জনবহুল এলাকাগুলোতে ঢোপকল স্থাপন করা হয়। ১৯৩৭ সালের আগস্ট মাসে ‘রাজশাহী ওয়াটার ওয়ার্কস’ নামে একটি পানি শোধন ও সরবরাহ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়, যার পেছনে খরচ হয়েছিল প্রায় আড়াই লাখ টাকা। এই প্রকল্পের অন্যতম বড় পৃষ্ঠপোষক ছিলেন মহারানী হেমন্ত কুমারী, যিনি প্রায় ৬৫ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। তার এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পানি শোধনাগারটির নামকরণ করা হয় ‘মহারানী হেমন্ত কুমারী ওয়াটার ওয়ার্কস’, আর পরবর্তীতে সেখানকার পানিকলগুলো ‘হেমন্ত কুমারী ঢোপকল’ নামেই পরিচিতি পায়।

সে সময়ের প্রেক্ষাপটে ঢোপকলের পানি সরবরাহ ব্যবস্থাটি ছিল বেশ আধুনিক। পানি শোধনাগারে পাথরকুচি ও বালির স্তরের সাহায্যে প্রথমে পানি পরিশোধন করা হতো, এরপর সিমেন্টের মোটা পাইপের মাধ্যমে তা নগরীর বিভিন্ন প্রান্তের ঢোপকলে পৌঁছে দেওয়া হতো। প্রতিটি ঢোপকলে প্রায় ৪৭০ গ্যালন পানি ধারণের ব্যবস্থা ছিল, এবং ভেতরের নিজস্ব পরিশোধন ব্যবস্থার মাধ্যমে পানি আরও একবার পরিশোধিত হয়ে বের হতো।

নগরবাসী দিনের যেকোনো সময়ে এসব ঢোপকল থেকে পানি সংগ্রহ করতে পারতেন। পানির গুণগত মান বজায় রাখতে নিয়মিত বিরতিতে ঢোপকল পরিষ্কার করা হতো এবং পরীক্ষাগারে নমুনা পাঠিয়ে মান যাচাই করা হতো। প্রায় ১২ ফুট উচ্চতা ও চার ফুট ব্যাসের গোলাকার এই স্থাপনাগুলো সিমেন্ট, ইটের খোয়া ও বিশেষ ঢালাই কৌশলে নির্মিত হয়েছিল। এদের ঢেউ খেলানো নকশার কারণে দূর থেকেই সহজে চেনা যেত।

প্রবীণদের ভাষ্যমতে, ঢোপকল শুধু পানি সংগ্রহের একটি স্থান ছিল না, বরং তা ছিল সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিচয়েরও অংশ। কোনো স্থানের ঠিকানা বোঝাতেও প্রায়ই ঢোপকলের নাম ব্যবহার করা হতো।

স্বাধীনতার পর ধীরে ধীরে বাসাবাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু হলে ঢোপকলের ব্যবহার কমতে শুরু করে। এরপর রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, নগর উন্নয়নকাজ এবং দখল-অবহেলার কারণে একের পর এক হারিয়ে যেতে থাকে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো।

রাজশাহীর ঐতিহ্য সংরক্ষণে কর্মরত সংগঠন রাজশাহী হেরিটেজের সমন্বয়ক আবদুল মান্নান বলেন, ঢোপকল রাজশাহীর নগর উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যা সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান মিশু জানান, নগরীতে বর্তমানে সঠিক সংখ্যায় কতটি ঢোপকল রয়েছে, তার তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি ঢোপকল সংরক্ষণও করা হয়েছে।

ফোকলোর ও উন্নয়ন গবেষক এস এম তাহমিদ হাসান বলেন, ঢোপকল কেবল পুরোনো একটি পানির উৎস নয়, বরং এটি রাজশাহীর জলসভ্যতা, প্রযুক্তি ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের একটি স্মারক। এসব স্থাপনার সঙ্গে নগরীর ইতিহাস ও লোকস্মৃতির গভীর সম্পর্ক জড়িয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক এ কে এম সাইফুর রহমান জানান, আকারে ছোট হওয়ায় ঢোপকলগুলোকে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে গেজেটভুক্ত করার ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এ নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, সড়ক উন্নয়নের প্রয়োজনে নগরীর কয়েকটি স্থান থেকে ঢোপকল স্থানান্তর করতে হয়েছে। তবে ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও নগরীর ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষ্যে নতুন করে কয়েকটি ঢোপকল স্থাপনও করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ঢোপকল স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩

অস্তিত্ব সংকটে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী ঢোপকল

প্রকাশের সময়ঃ ০২:২১:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইতিহাস ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ রাজশাহী নগরীর জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্ন হয়ে আছে ঢোপকল। এক সময় নগরবাসীর নিরাপদ সুপেয় পানির অন্যতম প্রধান উৎস ছিল এই স্থাপনাগুলো। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নগরায়ণ, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং বিভিন্ন উন্নয়নকাজের কারণে রাজশাহীর এই ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো বর্তমানে অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়েছে।

জানা যায়, ১৯৩৭ সালে ঢোপকলের মাধ্যমেই রাজশাহী শহরে আধুনিক পানি সরবরাহ ব্যবস্থার সূচনা হয়েছিল। এক সময় নগরজুড়ে অর্ধশতাধিক ঢোপকল থাকলেও বর্তমানে সচল অবস্থায় রয়েছে মাত্র চার থেকে পাঁচটি। বেলদারপাড়া, ফায়ার সার্ভিস মোড়, পাঠানপাড়া, রাণীবাজার, অলোকার মোড় ও কুমারপাড়া এলাকায় কয়েকটি ঢোপকল এখনো টিকে থাকলেও অনেকগুলোরই অবস্থা বেশ নাজুক।

তথ্য অনুযায়ী, বিশ শতকের তিরিশের দশকে রাজশাহী শহরে নিরাপদ পানির তীব্র সংকট ছিল। পুকুর, কূপ ও অন্যান্য জলাধারের পানির ওপর নির্ভরশীল নগরবাসীর মধ্যে তখন কলেরা, আমাশয়সহ নানা পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ত। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান রায় ডি. এন. দাশগুপ্তের উদ্যোগে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় নিরাপদ পানি সরবরাহের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও জনবহুল এলাকাগুলোতে ঢোপকল স্থাপন করা হয়। ১৯৩৭ সালের আগস্ট মাসে ‘রাজশাহী ওয়াটার ওয়ার্কস’ নামে একটি পানি শোধন ও সরবরাহ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়, যার পেছনে খরচ হয়েছিল প্রায় আড়াই লাখ টাকা। এই প্রকল্পের অন্যতম বড় পৃষ্ঠপোষক ছিলেন মহারানী হেমন্ত কুমারী, যিনি প্রায় ৬৫ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। তার এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পানি শোধনাগারটির নামকরণ করা হয় ‘মহারানী হেমন্ত কুমারী ওয়াটার ওয়ার্কস’, আর পরবর্তীতে সেখানকার পানিকলগুলো ‘হেমন্ত কুমারী ঢোপকল’ নামেই পরিচিতি পায়।

সে সময়ের প্রেক্ষাপটে ঢোপকলের পানি সরবরাহ ব্যবস্থাটি ছিল বেশ আধুনিক। পানি শোধনাগারে পাথরকুচি ও বালির স্তরের সাহায্যে প্রথমে পানি পরিশোধন করা হতো, এরপর সিমেন্টের মোটা পাইপের মাধ্যমে তা নগরীর বিভিন্ন প্রান্তের ঢোপকলে পৌঁছে দেওয়া হতো। প্রতিটি ঢোপকলে প্রায় ৪৭০ গ্যালন পানি ধারণের ব্যবস্থা ছিল, এবং ভেতরের নিজস্ব পরিশোধন ব্যবস্থার মাধ্যমে পানি আরও একবার পরিশোধিত হয়ে বের হতো।

নগরবাসী দিনের যেকোনো সময়ে এসব ঢোপকল থেকে পানি সংগ্রহ করতে পারতেন। পানির গুণগত মান বজায় রাখতে নিয়মিত বিরতিতে ঢোপকল পরিষ্কার করা হতো এবং পরীক্ষাগারে নমুনা পাঠিয়ে মান যাচাই করা হতো। প্রায় ১২ ফুট উচ্চতা ও চার ফুট ব্যাসের গোলাকার এই স্থাপনাগুলো সিমেন্ট, ইটের খোয়া ও বিশেষ ঢালাই কৌশলে নির্মিত হয়েছিল। এদের ঢেউ খেলানো নকশার কারণে দূর থেকেই সহজে চেনা যেত।

প্রবীণদের ভাষ্যমতে, ঢোপকল শুধু পানি সংগ্রহের একটি স্থান ছিল না, বরং তা ছিল সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিচয়েরও অংশ। কোনো স্থানের ঠিকানা বোঝাতেও প্রায়ই ঢোপকলের নাম ব্যবহার করা হতো।

স্বাধীনতার পর ধীরে ধীরে বাসাবাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু হলে ঢোপকলের ব্যবহার কমতে শুরু করে। এরপর রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, নগর উন্নয়নকাজ এবং দখল-অবহেলার কারণে একের পর এক হারিয়ে যেতে থাকে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো।

রাজশাহীর ঐতিহ্য সংরক্ষণে কর্মরত সংগঠন রাজশাহী হেরিটেজের সমন্বয়ক আবদুল মান্নান বলেন, ঢোপকল রাজশাহীর নগর উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যা সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান মিশু জানান, নগরীতে বর্তমানে সঠিক সংখ্যায় কতটি ঢোপকল রয়েছে, তার তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি ঢোপকল সংরক্ষণও করা হয়েছে।

ফোকলোর ও উন্নয়ন গবেষক এস এম তাহমিদ হাসান বলেন, ঢোপকল কেবল পুরোনো একটি পানির উৎস নয়, বরং এটি রাজশাহীর জলসভ্যতা, প্রযুক্তি ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের একটি স্মারক। এসব স্থাপনার সঙ্গে নগরীর ইতিহাস ও লোকস্মৃতির গভীর সম্পর্ক জড়িয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক এ কে এম সাইফুর রহমান জানান, আকারে ছোট হওয়ায় ঢোপকলগুলোকে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে গেজেটভুক্ত করার ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এ নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, সড়ক উন্নয়নের প্রয়োজনে নগরীর কয়েকটি স্থান থেকে ঢোপকল স্থানান্তর করতে হয়েছে। তবে ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও নগরীর ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষ্যে নতুন করে কয়েকটি ঢোপকল স্থাপনও করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ঢোপকল স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।