ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে শিশু অপহরণচেষ্টা, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে যুবদলকর্মীকে অচেতন করে ব্লেড দিয়ে শরীরে জখম দেশের অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করা সরকারের দায়িত্ব: ড. মঈন খান ভৈরবে প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৭০ জনকে উদ্ধার পাবনায় রাসায়নিকে তৈরি হচ্ছে নকল দুধ! গোবরাতলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সিলেটে ডেঙ্গু নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মামুন আল রশীদ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দিয়েছেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ছাত্র-উপদেষ্টার কার্যালয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নেন। বিদায়ী ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওয়ারায়দুল ইসলামের কাছ থেকে তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

দায়িত্ব নেওয়ার পর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ জানান, শিক্ষার্থীদের সমস্যা দ্রুত সমাধানে তাঁর দুটি মূল পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম পরিকল্পনা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬টি বিভাগে বিভাগভিত্তিক কাউন্সিল গঠন। এর ফলে প্রতিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে ছাত্র-উপদেষ্টার কার্যালয় বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, আর্থিক সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা চালিয়ে নিতে পারেন না। অনেকে আবার নিজের অসচ্ছলতার কথা জানাতে বা কারও কাছে সাহায্য চাইতে সংকোচ বোধ করেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে যাকাতের অর্থ দিয়ে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সহায়তা করছেন।

এ উদ্যোগকে আরও সংগঠিত ও কার্যকর করতে নিয়মিত যাকাত প্রদান করেন—এমন ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষক-কর্মকর্তার সহযোগিতা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা। তাঁদের সহায়তায় অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন অসচ্ছল শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত ও সমাধানের লক্ষ্যে ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি ‘ছাত্র ডাটাবেজ’ তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে শিক্ষার্থীরা গোপনীয়তা বজায় রেখে নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন। নিজ উদ্যোগে সমাধান করা সম্ভব—এমন বিষয়গুলো তিনি নিজেই সমাধান করবেন, আর প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহায়তা নেবেন। ফলে শিক্ষার্থীদের বারবার বিভিন্ন দপ্তরে ছুটতে হবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মামুন আল রশীদ

প্রকাশের সময়ঃ ০২:৫৫:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দিয়েছেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ছাত্র-উপদেষ্টার কার্যালয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নেন। বিদায়ী ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওয়ারায়দুল ইসলামের কাছ থেকে তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

দায়িত্ব নেওয়ার পর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ জানান, শিক্ষার্থীদের সমস্যা দ্রুত সমাধানে তাঁর দুটি মূল পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম পরিকল্পনা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬টি বিভাগে বিভাগভিত্তিক কাউন্সিল গঠন। এর ফলে প্রতিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে ছাত্র-উপদেষ্টার কার্যালয় বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, আর্থিক সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা চালিয়ে নিতে পারেন না। অনেকে আবার নিজের অসচ্ছলতার কথা জানাতে বা কারও কাছে সাহায্য চাইতে সংকোচ বোধ করেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে যাকাতের অর্থ দিয়ে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সহায়তা করছেন।

এ উদ্যোগকে আরও সংগঠিত ও কার্যকর করতে নিয়মিত যাকাত প্রদান করেন—এমন ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষক-কর্মকর্তার সহযোগিতা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা। তাঁদের সহায়তায় অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন অসচ্ছল শিক্ষার্থীর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত ও সমাধানের লক্ষ্যে ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি ‘ছাত্র ডাটাবেজ’ তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে শিক্ষার্থীরা গোপনীয়তা বজায় রেখে নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন। নিজ উদ্যোগে সমাধান করা সম্ভব—এমন বিষয়গুলো তিনি নিজেই সমাধান করবেন, আর প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহায়তা নেবেন। ফলে শিক্ষার্থীদের বারবার বিভিন্ন দপ্তরে ছুটতে হবে না।