ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

আবাসিক হোটেল থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

মো. আমির হোসেন।সংগৃহীত ছবি

ভোলা সদর উপজেলায় আবাসিক হোটেল থেকে মো. আমির হোসেন (৩৪) নামের এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত আমির হোসেন ভোলার লালমোহন উপজেলার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মহসিন তালুকদারের ছেলে। তিনি লালমোহন পৌরসভা যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গতকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভোলা শহরের কে জাহান মার্কেটের হোটেল কে. জাহানের ২০২ নম্বর কক্ষ থেকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, ২৫ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে শহরের হোটেল কে. জাহানের তৃতীয় তলার ২০২ কক্ষে উঠেন আমির হোসেন। ২৬ ডিসেম্বর রাতে হোটেলের লোকজন রুম চেক করতে গিয়ে দরজা নক করলে ওই রুমের ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন রুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মাফলার দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় আমির হোসেনর মরদেহ ঝুলছে। পরে সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতের বড় ভাই মো. জাকির হোসেন জানান, আমির হোসেন লালমোহনে রড-সিমেন্টের ব্যবসা করতেন। তার স্ত্রী ও সাত ও দুই বছর বয়সী দুজন ছেলেসন্তান রয়েছে। ধারদেনার কারণে ব্যবসা বন্ধ রেখে বর্তমানে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ দেখাশোনার চাকরি করতেন তিনি। হাতিয়া ও লক্ষ্মীপুরে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ চলমান রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে বাড়ি থেকে হাতিয়া যাওয়ার কথা বলে রওনা হন। পরে শুক্রবার রাতে তারা খবর পান ভোলা শহরের হোটেল থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এক নারীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তার ব্যবহৃত মোবাইলে সেটির প্রমাণও পাওয়া গেছে এবং ওই নারী হোটেলে এসেছে বলেও তারা জানতে পেরেছেন। তার ধারণা পরকীয়ার কারণে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তারা এ ঘটনায় মামলা করবেন। ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আবাসিক হোটেল থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রকাশের সময়ঃ ১২:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ভোলা সদর উপজেলায় আবাসিক হোটেল থেকে মো. আমির হোসেন (৩৪) নামের এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত আমির হোসেন ভোলার লালমোহন উপজেলার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মহসিন তালুকদারের ছেলে। তিনি লালমোহন পৌরসভা যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গতকাল শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভোলা শহরের কে জাহান মার্কেটের হোটেল কে. জাহানের ২০২ নম্বর কক্ষ থেকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, ২৫ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে শহরের হোটেল কে. জাহানের তৃতীয় তলার ২০২ কক্ষে উঠেন আমির হোসেন। ২৬ ডিসেম্বর রাতে হোটেলের লোকজন রুম চেক করতে গিয়ে দরজা নক করলে ওই রুমের ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন রুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মাফলার দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় আমির হোসেনর মরদেহ ঝুলছে। পরে সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতের বড় ভাই মো. জাকির হোসেন জানান, আমির হোসেন লালমোহনে রড-সিমেন্টের ব্যবসা করতেন। তার স্ত্রী ও সাত ও দুই বছর বয়সী দুজন ছেলেসন্তান রয়েছে। ধারদেনার কারণে ব্যবসা বন্ধ রেখে বর্তমানে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ দেখাশোনার চাকরি করতেন তিনি। হাতিয়া ও লক্ষ্মীপুরে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ চলমান রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে বাড়ি থেকে হাতিয়া যাওয়ার কথা বলে রওনা হন। পরে শুক্রবার রাতে তারা খবর পান ভোলা শহরের হোটেল থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এক নারীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তার ব্যবহৃত মোবাইলে সেটির প্রমাণও পাওয়া গেছে এবং ওই নারী হোটেলে এসেছে বলেও তারা জানতে পেরেছেন। তার ধারণা পরকীয়ার কারণে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তারা এ ঘটনায় মামলা করবেন। ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।