ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

অপহরণের ৮ ঘণ্টা পর কলেজছাত্র উদ্ধার, পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ

মাহিদ হোসেন

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার কোমরপুর এলাকা থেকে অপহরণের ৮ ঘণ্টা পর মাহিদ হোসেন নামের এক কলেজছাত্রকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় অভিযানে বাধা দিতে পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা।অপহৃত মাহিদ হোসেন মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামের চাকরিজীবী আমির উদ্দিনের ছেলে।পুলিশ জানায়, অপহরণের পর মাহিদের পরিবারের কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খানের নেতৃত্বে মুজিবনগর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখাসহ (ডিবি) পুলিশের একাধিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালায়। রাত ২টার দিকে টেংরামারী গ্রামের একটি মাঠ থেকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় মাহিদকে উদ্ধার করা হয়।

এ সময় অপহরণকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশকে দেখে তারা মাহিদকে ফেলে পালিয়ে যায়।পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় বলেন, অপহরণের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। অপহৃতের মামার মোবাইল ফোনে মুক্তিপণ নিয়ে কথোপকথনের সূত্র ধরে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। অপহৃতকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। অপহরণকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাহিদ হোসেন তার দুই বন্ধু রিয়াদ ও জুনায়েদকে নিয়ে মুজিবনগর বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কোমরপুর এলাকার একটি ইটভাটার কাছে পৌঁছালে অজ্ঞাত কয়েকজন তাদের তিনজনকেই অপহরণ করে। পরে রিয়াদ ও জুনায়েদকে ছেড়ে দেওয়া হলেও মাহিদকে আটকে রেখে তার পরিবারের কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

অপহরণের ৮ ঘণ্টা পর কলেজছাত্র উদ্ধার, পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ

প্রকাশের সময়ঃ ১১:২৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার কোমরপুর এলাকা থেকে অপহরণের ৮ ঘণ্টা পর মাহিদ হোসেন নামের এক কলেজছাত্রকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় অভিযানে বাধা দিতে পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা।অপহৃত মাহিদ হোসেন মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামের চাকরিজীবী আমির উদ্দিনের ছেলে।পুলিশ জানায়, অপহরণের পর মাহিদের পরিবারের কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খানের নেতৃত্বে মুজিবনগর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখাসহ (ডিবি) পুলিশের একাধিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালায়। রাত ২টার দিকে টেংরামারী গ্রামের একটি মাঠ থেকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় মাহিদকে উদ্ধার করা হয়।

এ সময় অপহরণকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশকে দেখে তারা মাহিদকে ফেলে পালিয়ে যায়।পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় বলেন, অপহরণের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। অপহৃতের মামার মোবাইল ফোনে মুক্তিপণ নিয়ে কথোপকথনের সূত্র ধরে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। অপহৃতকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। অপহরণকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাহিদ হোসেন তার দুই বন্ধু রিয়াদ ও জুনায়েদকে নিয়ে মুজিবনগর বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে কোমরপুর এলাকার একটি ইটভাটার কাছে পৌঁছালে অজ্ঞাত কয়েকজন তাদের তিনজনকেই অপহরণ করে। পরে রিয়াদ ও জুনায়েদকে ছেড়ে দেওয়া হলেও মাহিদকে আটকে রেখে তার পরিবারের কাছে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।