ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

মায়ের হাতেই মৃত্যুঝুঁকি! নদীতে ছুড়ে ফেলা ১৬ মাসের রুপসা উদ্ধার

নদীতে ছুড়ে ফেলা ১৬ মাসের রুপসা উদ্ধার করেছে পুলিশ ওস্থানীয়রা।

নওগাঁ জেলার পত্নীতলায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় নিজের ১৬ মাস বয়সী শিশুসন্তানকে নদীতে ফেলে দিয়েছেন এক মা। মৃত্যুর মুখ থেকে শিশুটিকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করেছে পুলিশ ও স্থানীয় মানুষ। অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছে শিশু রুপসা।

ঘটনার পর শিশুর মা মুনতাহীন মুন নিজেই পত্নীতলা থানায় হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং নিজেকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত নজিপুর ব্রিজ এলাকায় পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় নদী থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে।

উদ্ধারকৃত শিশুকে তাৎক্ষণিকভাবে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকরা জানান, শিশুটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে।

পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত মা মানসিকভাবে অসুস্থ। এর আগেও তিনি এমন আচরণ করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্য ও স্থানীয়দের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি শিশুটির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

এক মায়ের হাতেই যখন সন্তান মৃত্যুর মুখে পড়ে, তখন সমাজের দায় আরও বড় হয়ে ওঠে—এ ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলছে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, পারিবারিক নজরদারি এবং শিশু সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মায়ের হাতেই মৃত্যুঝুঁকি! নদীতে ছুড়ে ফেলা ১৬ মাসের রুপসা উদ্ধার

প্রকাশের সময়ঃ ১০:০১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

নওগাঁ জেলার পত্নীতলায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় নিজের ১৬ মাস বয়সী শিশুসন্তানকে নদীতে ফেলে দিয়েছেন এক মা। মৃত্যুর মুখ থেকে শিশুটিকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করেছে পুলিশ ও স্থানীয় মানুষ। অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছে শিশু রুপসা।

ঘটনার পর শিশুর মা মুনতাহীন মুন নিজেই পত্নীতলা থানায় হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং নিজেকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত নজিপুর ব্রিজ এলাকায় পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় নদী থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে।

উদ্ধারকৃত শিশুকে তাৎক্ষণিকভাবে পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকরা জানান, শিশুটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে।

পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত মা মানসিকভাবে অসুস্থ। এর আগেও তিনি এমন আচরণ করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্য ও স্থানীয়দের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি শিশুটির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

এক মায়ের হাতেই যখন সন্তান মৃত্যুর মুখে পড়ে, তখন সমাজের দায় আরও বড় হয়ে ওঠে—এ ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলছে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, পারিবারিক নজরদারি এবং শিশু সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে।