ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ

পে স্কেল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

সংগৃহীত ছবি।

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল আলোচিত নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পে-কমিশন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত পূর্ণ কমিশন সভায় গ্রেড সংখ্যা পরিবর্তনের প্রস্তাব উঠলেও শেষ পর্যন্ত বিদ্যমান ২০টি গ্রেডই বহাল রাখার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পে-কমিশন সূত্র জানায়, গ্রেড সংখ্যা কমানো বা নতুনভাবে পুনর্গঠনের প্রস্তাব থাকলেও প্রশাসনিক জটিলতা ও বাস্তবতা বিবেচনায় বর্তমান কাঠামো বজায় রাখার পক্ষেই মত দিয়েছে কমিশন। কমিশনের এক সদস্য সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গণমাধ্যমকে জানান, গ্রেড সংখ্যা অপরিবর্তিত রেখে বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হবে।

তবে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের হার এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় পুরো পে-স্কেল কাঠামো অনিশ্চয়তায় রয়েছে। বৃহস্পতিবারের সভায় বেতন কাঠামোর পাশাপাশি পেনশন, চিকিৎসা ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা নিয়ে আলোচনা হলেও মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বেতনের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ।

সূত্র আরও জানায়, সর্বনিম্ন বেতন কত হবে—এ বিষয়ে কমিশনের সদস্যদের মধ্যে এখনো ঐকমত্য হয়নি। ফলে এ বিষয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী সভায় পুনরায় আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সর্বনিম্ন বেতনের বিষয়ে নীতিগত দিকনির্দেশনা নিতে পারেন।

উল্লেখ্য, বেতন বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যে নতুন পে-স্কেলে বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাব নিয়েও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে নির্বাচন প্রচারণা ঘিরে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ- আহত প্রায় ১০

পে স্কেল নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

প্রকাশের সময়ঃ ০১:১৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল আলোচিত নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পে-কমিশন। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত পূর্ণ কমিশন সভায় গ্রেড সংখ্যা পরিবর্তনের প্রস্তাব উঠলেও শেষ পর্যন্ত বিদ্যমান ২০টি গ্রেডই বহাল রাখার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পে-কমিশন সূত্র জানায়, গ্রেড সংখ্যা কমানো বা নতুনভাবে পুনর্গঠনের প্রস্তাব থাকলেও প্রশাসনিক জটিলতা ও বাস্তবতা বিবেচনায় বর্তমান কাঠামো বজায় রাখার পক্ষেই মত দিয়েছে কমিশন। কমিশনের এক সদস্য সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গণমাধ্যমকে জানান, গ্রেড সংখ্যা অপরিবর্তিত রেখে বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হবে।

তবে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের হার এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় পুরো পে-স্কেল কাঠামো অনিশ্চয়তায় রয়েছে। বৃহস্পতিবারের সভায় বেতন কাঠামোর পাশাপাশি পেনশন, চিকিৎসা ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা নিয়ে আলোচনা হলেও মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বেতনের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ।

সূত্র আরও জানায়, সর্বনিম্ন বেতন কত হবে—এ বিষয়ে কমিশনের সদস্যদের মধ্যে এখনো ঐকমত্য হয়নি। ফলে এ বিষয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী সভায় পুনরায় আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সর্বনিম্ন বেতনের বিষয়ে নীতিগত দিকনির্দেশনা নিতে পারেন।

উল্লেখ্য, বেতন বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যে নতুন পে-স্কেলে বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার প্রস্তাব নিয়েও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে।