
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় বিএনপির একটি নির্বাচনি জনসভায় আসন ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে ভাতশালা গ্রামে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের পক্ষে নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। তবে অসুস্থতার কারণে তিনি ওই সমাবেশে উপস্থিত থাকতে পারেননি।
জনসভার শেষ দিকে কাস্তুল ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম কিসমতের নেতৃত্বে একটি মিছিল জনসভাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় চেয়ারে বসা নিয়ে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়ার সমর্থকদের সঙ্গে যুবদল নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে যুবদল নেতা মাহবুব আলম কিসমতসহ প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় মাহবুব আলম কিসমত অভিযোগ করে বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে পৌঁছানোর পর ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া ও তার অনুসারীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি নিজেসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া বলেন, যুবদল নেতা কিসমত ও তার লোকজনই প্রথমে হামলা চালায়। এতে তার পক্ষেরও ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েব খান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রাথমিকভাবে হতাহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দৈনিক অধিকার ডেস্ক 

















