ঢাকা ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন ২০৪ বন্দী

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা ২০৪ জন বন্দী পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। কারাগার কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এই কারাগারে গড়ে প্রায় ২ হাজার ৬০০ জন হাজতি ও কয়েদি থাকলেও ভোট দেওয়ার জন্য নাম নিবন্ধন করেছিলেন মাত্র ২৭৩ জন।

কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিবন্ধনকারীদের মধ্যে নাম, ঠিকানা ও সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনসহ সব তথ্য সঠিক থাকায় ২০৪ জনের নামে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়। ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে শনিবার বিকেল পর্যন্ত এসব বন্দী পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেন। পরে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা ২০৪টি ব্যালট সংশ্লিষ্ট পোস্ট অফিসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, কারাগারের বন্দীদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি এবং বাকি অর্ধেক বিচারাধীন মামলার হাজতি। দীর্ঘদিন ধরে বন্দী থাকার কারণে কয়েদিদের একটি বড় অংশ ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি। ফলে তারা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নাম নিবন্ধনের সুযোগও পাননি।

এছাড়া নিয়ম অনুযায়ী, কারাগারে থাকা অবস্থায় কেউ পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নাম নিবন্ধন করলে পরে জামিনে মুক্তি পেলেও বাইরে গিয়ে আর ভোট দিতে পারেন না। এই বিধিনিষেধের কারণেও অনেক হাজতি ও কয়েদি ভোটের জন্য নাম নিবন্ধনে আগ্রহ দেখাননি বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

নিবন্ধন করা ২৭৩ জনের মধ্যে ৩২ জন নাম নিবন্ধনের পর জামিনে মুক্তি পাওয়ায় তাদের ভোট গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া তথ্যগত জটিলতার কারণে বাকি নিবন্ধনকারীদের নামে ব্যালট আসেনি।

এদিকে, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা রাজশাহী-৩ (পবা–মোহনপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ এবং রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এনামুল হক ভোট দেননি। তারা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নাম নিবন্ধনও করেননি।

এ বিষয়ে সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন,
“আমরা কারাগারের সব বন্দীকেই ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলাম। যারা ইচ্ছুক ছিলেন, তারাই নাম নিবন্ধন করেছেন। বন্দী থাকা সাবেক দুই এমপি ভোট দিতে চাননি। কাউকে জোর করার সুযোগ নেই। যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের ব্যালট যথাযথভাবে পোস্ট অফিসে পাঠানো হয়েছে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন ২০৪ বন্দী

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৩০:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা ২০৪ জন বন্দী পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। কারাগার কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এই কারাগারে গড়ে প্রায় ২ হাজার ৬০০ জন হাজতি ও কয়েদি থাকলেও ভোট দেওয়ার জন্য নাম নিবন্ধন করেছিলেন মাত্র ২৭৩ জন।

কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিবন্ধনকারীদের মধ্যে নাম, ঠিকানা ও সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনসহ সব তথ্য সঠিক থাকায় ২০৪ জনের নামে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়। ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে শনিবার বিকেল পর্যন্ত এসব বন্দী পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেন। পরে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা ২০৪টি ব্যালট সংশ্লিষ্ট পোস্ট অফিসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, কারাগারের বন্দীদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি এবং বাকি অর্ধেক বিচারাধীন মামলার হাজতি। দীর্ঘদিন ধরে বন্দী থাকার কারণে কয়েদিদের একটি বড় অংশ ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি। ফলে তারা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নাম নিবন্ধনের সুযোগও পাননি।

এছাড়া নিয়ম অনুযায়ী, কারাগারে থাকা অবস্থায় কেউ পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নাম নিবন্ধন করলে পরে জামিনে মুক্তি পেলেও বাইরে গিয়ে আর ভোট দিতে পারেন না। এই বিধিনিষেধের কারণেও অনেক হাজতি ও কয়েদি ভোটের জন্য নাম নিবন্ধনে আগ্রহ দেখাননি বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

নিবন্ধন করা ২৭৩ জনের মধ্যে ৩২ জন নাম নিবন্ধনের পর জামিনে মুক্তি পাওয়ায় তাদের ভোট গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া তথ্যগত জটিলতার কারণে বাকি নিবন্ধনকারীদের নামে ব্যালট আসেনি।

এদিকে, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা রাজশাহী-৩ (পবা–মোহনপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ এবং রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এনামুল হক ভোট দেননি। তারা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নাম নিবন্ধনও করেননি।

এ বিষয়ে সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন,
“আমরা কারাগারের সব বন্দীকেই ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলাম। যারা ইচ্ছুক ছিলেন, তারাই নাম নিবন্ধন করেছেন। বন্দী থাকা সাবেক দুই এমপি ভোট দিতে চাননি। কাউকে জোর করার সুযোগ নেই। যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের ব্যালট যথাযথভাবে পোস্ট অফিসে পাঠানো হয়েছে।”