
কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোটের নির্বাচনী সামগ্রী কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিক আহমেদ ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজল রানা ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের হাতে এসব নির্বাহী সামগ্রী তুলে দেন। বৃহষ্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হতে যাওয়া ভোটগ্রহণ চলবে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনটি ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এবারের নির্বাচনে উপজেলার ১৫৯টি ভোট কেন্দ্রে ৫ লাখ ১৮১ জন ভোটার তাদের ভোটারাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করবেন। তবে, নির্বাচন কমিশন কর্তৃপক্ষ বলছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের ১৫৯টি ভোট কেন্দ্রে মধ্যে ৯৯টি কেন্দ্র রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ)। এর মধ্যে ২৩টি কেন্দ্র রয়েছে সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ)। আর এই কেন্দ্রগুলোতে থাকবে বাড়তি নিরাপত্তা।

সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে ১৫৯টি কেন্দ্রে ২জন জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, ৬ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, ৪টি সেনাবাহিনী টিম, ৪ প্লাটুন বিজিবি, ১৬টি পুলিশের মোবাইল টিম, আনসার ব্যাটালিয়ের ১৬জন বিশিষ্ট টিম স্ট্রাকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন। এছাড়া, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ১৩জন করে আনসার-ভিডিপি সদস্যরা ভোটগ্রহনে কাজ করবেন।
এব্যাপারে সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিক আহমেদ বলেন, ত্রয়োদশ জাতায় সংসদ নির্বাচনে সমস্ত প্রস্তুতি নেয়া সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পূর্ণ করতে ২জন জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, ৬ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, ৪টি সেনাবাহিনী টিম, ৪ প্লাটুন বিজিবি, ১৬টি পুলিশের মোবাইল টিম, আনসার ব্যাটালিয়ের ১৬জন বিশিষ্ট টিম স্ট্রাকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন। এছাড়া, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ১৩জন করে আনসার-ভিডিপি সদস্যরা ভোটগ্রহনে কাজ করবেন।
এছাড়া ১৫৯ টি ভোট কেন্দ্রে জন্য ১৬৭ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৯৮৩ জন সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার ও ১ হাজার ৯৬৪জন পোলিং অফিসার ভোটগ্রহণে দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আরো বলেন, ১৫৯টি ভোট কেন্দ্রে মধ্যে ৯৯টি কেন্দ্র রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ)। এর মধ্যে ২৩টি কেন্দ্র রয়েছে সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ)। আর এই কেন্দ্রগুলোতে থাকবে বাড়তি নিরাপত্তা। আশা করি, এই আসনে কোন ধরণের অপ্রতিকর ঘটনা ঘটবে না। আর যদি কোন দুস্কৃতিরা কোন ধরণের অপ্রতিকর ঘটানোর চেষ্টা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এই আসনে ৬জন প্রার্থী ভোট যুদ্ধে লড়াই করছেন। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান মিঞা (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ডক্টর কেরামত আলী (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আফজাল হোসেন (লাঙ্গল), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী নবাব মোঃ শামসুল হোদা (মমবাতি), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তজোট এর মনোনীত প্রার্থী মোঃ আব্দুল হালিম (ছড়ি) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মনোনীত প্রার্থী মনিরুল ইসলাম (হাতপাখা)।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

















