ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

নামাজরত ছাত্রশিবির নেতাকে মসজিদে ঢুকে পিটিয়ে জখম

শুক্রবার রাতে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের জমির মাঝির মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

সন্দ্বীপের বাউরিয়া ইউনিয়নের জমির মাঝির মসজিদে তারাবির নামাজ চলাকালীন ছাত্রশিবিরের এক নেতাকে টেনে বের করে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতে ৫নং ওয়ার্ডের মসজিদে ঘটে এই ঘটনা। আহত ব্যক্তি জিহাদ (২০) বাউরিয়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে জিহাদ নামাজ পড়ছিলেন। পরে জাসিব, নিরব ও নাঈমসহ কয়েকজন ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে জিহাদকে জোরপূর্বক টেনে আনা হয়। তারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক স্লোগান দিতে দিতে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে। উপস্থিত মুসল্লিরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও হামলাকারীদের সশস্ত্র অবস্থানের কারণে সরে দাঁড়ান।

আহত জিহাদের সহকর্মীদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক নির্বাচনে প্রতীকের পক্ষে কাজ করা ও দলীয় আদর্শগত বিরোধের কারণে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর জিহাদকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম ও রক্তক্ষরণের চিহ্ন রয়েছে।

পবিত্র রমজান মাসে মসজিদের ভেতরে এই বর্বরোচিত হামলা সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

সন্দ্বীপ থানার ওসি জায়েদ নূর জানিয়েছেন, “ঘটনাটি জানার পর থেকেই পুলিশ তৎপর রয়েছে। পরিস্থিতির ওপর আমাদের নজরদারি আছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী যেই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

জনপ্রিয় সংবাদ

নামাজরত ছাত্রশিবির নেতাকে মসজিদে ঢুকে পিটিয়ে জখম

প্রকাশের সময়ঃ ০২:১৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সন্দ্বীপের বাউরিয়া ইউনিয়নের জমির মাঝির মসজিদে তারাবির নামাজ চলাকালীন ছাত্রশিবিরের এক নেতাকে টেনে বের করে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতে ৫নং ওয়ার্ডের মসজিদে ঘটে এই ঘটনা। আহত ব্যক্তি জিহাদ (২০) বাউরিয়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে জিহাদ নামাজ পড়ছিলেন। পরে জাসিব, নিরব ও নাঈমসহ কয়েকজন ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে জিহাদকে জোরপূর্বক টেনে আনা হয়। তারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক স্লোগান দিতে দিতে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে। উপস্থিত মুসল্লিরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও হামলাকারীদের সশস্ত্র অবস্থানের কারণে সরে দাঁড়ান।

আহত জিহাদের সহকর্মীদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক নির্বাচনে প্রতীকের পক্ষে কাজ করা ও দলীয় আদর্শগত বিরোধের কারণে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর জিহাদকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম ও রক্তক্ষরণের চিহ্ন রয়েছে।

পবিত্র রমজান মাসে মসজিদের ভেতরে এই বর্বরোচিত হামলা সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

সন্দ্বীপ থানার ওসি জায়েদ নূর জানিয়েছেন, “ঘটনাটি জানার পর থেকেই পুলিশ তৎপর রয়েছে। পরিস্থিতির ওপর আমাদের নজরদারি আছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী যেই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”