ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
আসিয়ান কাপ সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজমেন্টে পরিবর্তন মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, তথ্য দিলেই ১০ হাজার টাকা পুরস্কার সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস চর কুকরি-মুকরিতে সড়ক নির্মাণে রডের বদলে লোহার নেট ব্যবহারের অভিযোগ মাধবদীতে বিদ্যুতের দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ, ৩ কিলোমিটার যানজট সাড়ে পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস টি-শার্ট নেড়ে সংকেত, বন্যায় আটকে পড়া কিশোরকে হেলিকপ্টারে উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে সুপারি গাছে উঠতে অস্বীকৃতি জানানোয় শিশুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা-গ্রেপ্তার ১ স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না- রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে প্রধান শিক্ষিকার মৃত্যু, গ্রেপ্তার ২

চর কুকরি-মুকরিতে সড়ক নির্মাণে রডের বদলে লোহার নেট ব্যবহারের অভিযোগ

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৪:১১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২৩৮ Time View

চর কুকরি-মুকরিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মনুরা বাজার পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজ চলছে।

ভোলার চরফ্যাশনের পর্যটন দ্বীপ চর কুকরি-মুকরিতে সড়ক নির্মাণকাজে নির্ধারিত রডের পরিবর্তে লোহার নেট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি প্রকল্পের আওতায় চলমান এ নির্মাণকাজে এমন অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

চর কুকরি-মুকরি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র থেকে মনুরা বাজার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নির্মাণকাজের নিয়ম অনুসরণ না করে ঢালাইয়ের সময় রডের পরিবর্তে তুলনামূলক চিকন লোহার নেট বা জিআই তারের জাল ব্যবহার করা হচ্ছে।

নির্মাণসংশ্লিষ্টদের মতে, সিসি বা আরসিসি সড়কের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে প্রকল্পের নকশা ও নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার কথা। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, চলমান কাজে সেই নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, নির্মাণকাজ তদারকির দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী কার্যালয়ের থাকলেও মাঠপর্যায়ে পর্যাপ্ত নজরদারি দেখা যাচ্ছে না। ফলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজের ক্ষেত্রে অনিয়মের সুযোগ পাচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।

জানা গেছে, দুর্গম ও উপকূলীয় এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় ২ কোটি ১৩ লাখ টাকা। দরপত্রের মাধ্যমে কাজটির কার্যাদেশ পেয়েছে ভোলার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ছাদিকা আফিয়া ইসলাম।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চর কুকরি-মুকরির ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক হাজার মানুষের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে যাতায়াতের পাশাপাশি মনুরা বাজারে যাওয়া, কৃষিপণ্য ও মাছ পরিবহনের জন্যও সড়কটি ব্যবহার করেন তারা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কুকরির ছোট খালের কাছাকাছি হওয়ায় এলাকাটি নিচু ও উপকূলীয়। জোয়ার-ভাটার পানির ওঠানামার কারণে এ অঞ্চলের অবকাঠামো নির্মাণে কাজের মান ও উপকরণ নিয়ে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। তাদের আশঙ্কা, নির্মাণে নির্ধারিত উপকরণ ব্যবহার না হলে ভবিষ্যতে সড়কের স্থায়িত্ব কমে যেতে পারে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ম্যানেজার বলেন, সিডিউল অনুযায়ীই নির্মাণকাজ চলছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিয়মিত কাজ তদারকি করছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের তদারকি কর্মকর্তা মো. কিবরিয়া বলেন, সড়ক নির্মাণকাজ সিডিউল অনুযায়ী করা হচ্ছে। নির্ধারিত উপকরণের বাইরে অন্য কোনো সামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ নেই।

জনপ্রিয় সংবাদ

আসিয়ান কাপ সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজমেন্টে পরিবর্তন

চর কুকরি-মুকরিতে সড়ক নির্মাণে রডের বদলে লোহার নেট ব্যবহারের অভিযোগ

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:১১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশনের পর্যটন দ্বীপ চর কুকরি-মুকরিতে সড়ক নির্মাণকাজে নির্ধারিত রডের পরিবর্তে লোহার নেট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি প্রকল্পের আওতায় চলমান এ নির্মাণকাজে এমন অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

চর কুকরি-মুকরি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র থেকে মনুরা বাজার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নির্মাণকাজের নিয়ম অনুসরণ না করে ঢালাইয়ের সময় রডের পরিবর্তে তুলনামূলক চিকন লোহার নেট বা জিআই তারের জাল ব্যবহার করা হচ্ছে।

নির্মাণসংশ্লিষ্টদের মতে, সিসি বা আরসিসি সড়কের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে প্রকল্পের নকশা ও নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার কথা। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, চলমান কাজে সেই নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, নির্মাণকাজ তদারকির দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী কার্যালয়ের থাকলেও মাঠপর্যায়ে পর্যাপ্ত নজরদারি দেখা যাচ্ছে না। ফলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজের ক্ষেত্রে অনিয়মের সুযোগ পাচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।

জানা গেছে, দুর্গম ও উপকূলীয় এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় ২ কোটি ১৩ লাখ টাকা। দরপত্রের মাধ্যমে কাজটির কার্যাদেশ পেয়েছে ভোলার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ছাদিকা আফিয়া ইসলাম।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চর কুকরি-মুকরির ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েক হাজার মানুষের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে যাতায়াতের পাশাপাশি মনুরা বাজারে যাওয়া, কৃষিপণ্য ও মাছ পরিবহনের জন্যও সড়কটি ব্যবহার করেন তারা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কুকরির ছোট খালের কাছাকাছি হওয়ায় এলাকাটি নিচু ও উপকূলীয়। জোয়ার-ভাটার পানির ওঠানামার কারণে এ অঞ্চলের অবকাঠামো নির্মাণে কাজের মান ও উপকরণ নিয়ে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন। তাদের আশঙ্কা, নির্মাণে নির্ধারিত উপকরণ ব্যবহার না হলে ভবিষ্যতে সড়কের স্থায়িত্ব কমে যেতে পারে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ম্যানেজার বলেন, সিডিউল অনুযায়ীই নির্মাণকাজ চলছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিয়মিত কাজ তদারকি করছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের তদারকি কর্মকর্তা মো. কিবরিয়া বলেন, সড়ক নির্মাণকাজ সিডিউল অনুযায়ী করা হচ্ছে। নির্ধারিত উপকরণের বাইরে অন্য কোনো সামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ নেই।