ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ইতালির লুক্কা চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা সিনেমা বাংলাদেশের ‘মাস্টার’ তুরস্কের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা এগিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ শিক্ষক দিবসে সিলন টি’র ‘জীবন জুড়ে শিক্ষকের রেশ’ ক্যাম্পেইন এলপিজির দাম কেন বাড়ল? কারণ জানাল বিইআরসি চুয়াডাঙ্গায় রাতে ৭০০ কলাগাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা, ক্ষতি ৮ লাখ টাকা অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক চৌহদিটোলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার টিম ৪ এর বিশেষ অভিযান ইবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ময়মনসিংহ মেডিকেলে ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে আরও একজনের মৃত্যু বাগাতিপাড়ায় আগাম খেজুর গুড় তৈরির প্রস্তুতি, গাছ ঝোড়ায় ব্যস্ত গাছিরা

তুরস্কের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা এগিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৩:০৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৩৩ Time View

তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও এফটিএ নিয়ে আলোচনা করেন মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তুরস্কের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা আরও এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বিপজ্জনক শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তুরস্কের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সোমবার শিল্প মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনা ও এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ফল আমদানিতে ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়েও আলোচনা হয়।

মন্ত্রী তাঁর আসন্ন তুরস্ক সফরে দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগ সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় দুই পক্ষই বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।

ফল আমদানির ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়াতে তুরস্কের ফল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা ও যোগাযোগের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ। এসব তথ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেশের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে ইলেকট্রনিকস ও জাহাজ ভাঙা শিল্প থেকে উৎপন্ন বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও গুরুত্ব পায়। শিল্পবর্জ্য পরিশোধন, নিরাপদ সংরক্ষণ ও নিষ্পত্তির জন্য তুরস্কে থাকা বিশেষায়িত স্থাপনা এবং ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটিজ (টিএসডিএফ) ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

চামড়া শিল্পের প্রসঙ্গও বৈঠকে উঠে আসে। তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জানান, পরিবেশগত নানা কারণে দেশটিতে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ট্যানারি কার্যক্রম কমেছে। এর পাশাপাশি সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার এবং কাঁচামাল আমদানির প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে কমসেকের অধীনে অনুষ্ঠেয় আসন্ন মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন, ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট এবং হালাল এক্সপোতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান তুরস্কের রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কমসেকের মূল সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী অংশ নেবেন এবং পরবর্তী আয়োজনগুলোতে বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, তুরস্ক দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সেলর এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালির লুক্কা চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা সিনেমা বাংলাদেশের ‘মাস্টার’

তুরস্কের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা এগিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:০৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

তুরস্কের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা আরও এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে বিপজ্জনক শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তুরস্কের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সোমবার শিল্প মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনা ও এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ফল আমদানিতে ব্যবসায়িক যোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়েও আলোচনা হয়।

মন্ত্রী তাঁর আসন্ন তুরস্ক সফরে দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগ সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় দুই পক্ষই বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।

ফল আমদানির ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়াতে তুরস্কের ফল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা ও যোগাযোগের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ। এসব তথ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেশের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে ইলেকট্রনিকস ও জাহাজ ভাঙা শিল্প থেকে উৎপন্ন বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও গুরুত্ব পায়। শিল্পবর্জ্য পরিশোধন, নিরাপদ সংরক্ষণ ও নিষ্পত্তির জন্য তুরস্কে থাকা বিশেষায়িত স্থাপনা এবং ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটিজ (টিএসডিএফ) ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

চামড়া শিল্পের প্রসঙ্গও বৈঠকে উঠে আসে। তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জানান, পরিবেশগত নানা কারণে দেশটিতে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ট্যানারি কার্যক্রম কমেছে। এর পাশাপাশি সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার এবং কাঁচামাল আমদানির প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে কমসেকের অধীনে অনুষ্ঠেয় আসন্ন মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন, ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট এবং হালাল এক্সপোতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান তুরস্কের রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কমসেকের মূল সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী অংশ নেবেন এবং পরবর্তী আয়োজনগুলোতে বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, তুরস্ক দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সেলর এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।