ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৫৯৬ জন সীমান্তের ওপার থেকে গার্মেন্টস শিল্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা- প্রধানমন্ত্রী জুতার সূত্র ধরে মিললো ছাত্রীর মরদেহ জামিন পাওয়ার পর ফেসবুকে দুই শব্দের পোস্ট, আবারও আলোচনায় পরীমনি সিঙ্গাইরে তিন ভাই হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড, আটজনের যাবজ্জীবন সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ৮ ডিসেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দিলীপ আগরওয়ালা সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৩১ বার পেছাল মাদ্রাসা ছাত্র আরিফ হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন মোংলা বন্দর হবে সম্ভাবনাময় নতুন অর্থনৈতিক হাব প্রধানমন্ত্রী

সিঙ্গাইরে তিন ভাই হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড, আটজনের যাবজ্জীবন

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৩:৩৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ১২৪৯ Time View

সিঙ্গাইরে তিন ভাই হত্যা মামলায় এই আদালত পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ও আটজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন।

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে জমিজমার বিরোধের জেরে তিন ভাইকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি হলেন সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের জিয়ার উদ্দিন, জাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ, জসিম ও সিদ্দিক মিয়া।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন একই এলাকার জহির উদ্দিন, আজিজুল, উজ্জ্বল, সামসুল হক, সালাউদ্দিন, মাজেদ মিয়া, মনন ও স্বপন।

আদালত ও মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল উত্তরপাড়া গ্রামের রহিম মোল্লার ছেলে আজিজ মোল্লা এবং তাঁর চাচাতো ভাই করিম মোল্লা ও টেটুল মোল্লার সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল।

এই বিরোধের জেরে ২০১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার দিকে আসামিরা আজিজ মোল্লাসহ তিন ভাইকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর সংঘবদ্ধ হয়ে তাঁদের পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর নিহত আজিজ মোল্লার স্ত্রী ফরিদা বেগম বাদী হয়ে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে সিংগাইর থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় মোট আটজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

ঘটনার প্রায় আট বছর পর রায় ঘোষণার পর নিহতদের স্বজনেরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী ও সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আ. ফ. ম. নূরতাজ আলম বাহার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এর মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং অপরাধীরা প্রাপ্য শাস্তি পেয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৫৯৬ জন

সিঙ্গাইরে তিন ভাই হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড, আটজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:৩৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে জমিজমার বিরোধের জেরে তিন ভাইকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি হলেন সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের জিয়ার উদ্দিন, জাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ, জসিম ও সিদ্দিক মিয়া।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন একই এলাকার জহির উদ্দিন, আজিজুল, উজ্জ্বল, সামসুল হক, সালাউদ্দিন, মাজেদ মিয়া, মনন ও স্বপন।

আদালত ও মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল উত্তরপাড়া গ্রামের রহিম মোল্লার ছেলে আজিজ মোল্লা এবং তাঁর চাচাতো ভাই করিম মোল্লা ও টেটুল মোল্লার সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল।

এই বিরোধের জেরে ২০১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার দিকে আসামিরা আজিজ মোল্লাসহ তিন ভাইকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর সংঘবদ্ধ হয়ে তাঁদের পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর নিহত আজিজ মোল্লার স্ত্রী ফরিদা বেগম বাদী হয়ে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে সিংগাইর থানায় হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় মোট আটজনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

ঘটনার প্রায় আট বছর পর রায় ঘোষণার পর নিহতদের স্বজনেরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।

বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী ও সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আ. ফ. ম. নূরতাজ আলম বাহার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এর মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং অপরাধীরা প্রাপ্য শাস্তি পেয়েছেন।