ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
জুতার সূত্র ধরে মিললো ছাত্রীর মরদেহ জামিন পাওয়ার পর ফেসবুকে দুই শব্দের পোস্ট, আবারও আলোচনায় পরীমনি সিঙ্গাইরে তিন ভাই হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড, আটজনের যাবজ্জীবন সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ৮ ডিসেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দিলীপ আগরওয়ালা সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৩১ বার পেছাল মাদ্রাসা ছাত্র আরিফ হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন মোংলা বন্দর হবে সম্ভাবনাময় নতুন অর্থনৈতিক হাব প্রধানমন্ত্রী উত্তরায় কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুজন নিহত বেরোবি উপাচার্যের কার্যালয়ে কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৩১ বার পেছাল

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৩:২২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ১২৪৩ Time View

নিহত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি। ফাইল ছবি

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১৩১ বারের মতো পিছিয়েছে। প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন হিসেবে আগামী ৯ ডিসেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত এ দিন ধার্য করেন। এদিন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। তাই আদালত নতুন এ তারিখ ঠিক করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের প্রত্যেককে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও কেউ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন ভোরে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। শুরুতে ওই থানার একজন এসআই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন। চার দিন পর তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও ডিবি রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র‍্যাবের কাছে যায়।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তাঁদের ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলা হয়। একই সঙ্গে তদন্ত থেকে র‍্যাবকে সরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

পরে ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে টাস্কফোর্স গঠন করে। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুতার সূত্র ধরে মিললো ছাত্রীর মরদেহ

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১৩১ বার পেছাল

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:২২:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১৩১ বারের মতো পিছিয়েছে। প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী দিন হিসেবে আগামী ৯ ডিসেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত এ দিন ধার্য করেন। এদিন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। তাই আদালত নতুন এ তারিখ ঠিক করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের প্রত্যেককে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও কেউ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন ভোরে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। শুরুতে ওই থানার একজন এসআই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন। চার দিন পর তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও ডিবি রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র‍্যাবের কাছে যায়।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তাঁদের ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলা হয়। একই সঙ্গে তদন্ত থেকে র‍্যাবকে সরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

পরে ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে টাস্কফোর্স গঠন করে। এতে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।