ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বেরোবি উপাচার্যের কার্যালয়ে কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ এমআরটি লাইন-১-এর চার প্যাকেজের নির্মাণ চুক্তি স্বাক্ষর জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের ১ নম্বর গেটের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ মোংলা ও খুলনা সফরে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী হামের টিকা ক্রয় ও বিতরণে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিশন পোশাক শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি কার্যকর হবে ডিসেম্বর থেকে সাংবাদিক ও গণমাধ্যম মালিককে গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের পূর্বানুমতি বেরোবিতে ‘জার্নাল অব লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সেস’-এর দ্বিতীয় খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন

বেরোবি উপাচার্যের কার্যালয়ে কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন (ফাইল ছবি)। উপাচার্যের কার্যালয়ে এক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীর কার্যালয়ের ভেতরে কথা-কাটাকাটির জেরে এক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপাচার্যের দপ্তরে এ ঘটনা ঘটে। এতে বাংলা বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. রফিক ইসলাম আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের সূত্রে জানা গেছে, দুই শিক্ষকের মধ্যে চিঠি আদান-প্রদানসংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল। ওই আলোচনায় অংশ নিয়ে চিঠি পাঠানোর বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন রফিক ইসলাম। এ সময় জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরামের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়।

রফিক ইসলামের অভিযোগ, একপর্যায়ে সংস্থাপন শাখার কর্মকর্তা ও ফোরামের সহসভাপতি ড. জিয়াউল হক জুনিয়র তাঁকে ঘুষি মারেন। পরে রিসার্চ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা ও ফোরামের সভাপতি ড. রোকনুজ্জামান করিডরে থাকা ফুলের টব দিয়ে তাঁকে আঘাত করেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এ ছাড়া শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের পরিচালক ও ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মামদুদুর রহমান, কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম এবং লাবুসহ কয়েকজন তাঁকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রফিক ইসলাম বলেন, দুই শিক্ষকের বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় চিঠি পাঠানো নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। তখন তিনি বলেন, এসব চিঠি কারা পাঠায়, তার একটি বিহিত করা দরকার, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে। তাঁর ভাষ্য, আলোচনার একপর্যায়ে একজন তাঁকে সিনিয়র-জুনিয়র বোঝার কথা বলেন। এরপর একজন তাঁকে মারতে এগিয়ে এসে প্রথমে ঘুষি মারেন এবং পরে কয়েকজন মিলে মারধর করেন বলে দাবি করেন তিনি।

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তারা। তাঁদের ভাষ্য, দুই শিক্ষকের মধ্যে একটি বিষয়ে আলোচনা চলছিল। এ সময় রফিক ইসলাম কথার মাঝখানে কথা বললে তাঁকে নিষেধ করা হয়। পরে তিনি আক্রমণাত্মকভাবে এগিয়ে এলে তাঁরা তাঁকে বাধা দেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয় বলে তাঁরা দাবি করেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি; সিদ্ধান্ত হলে জানানো হবে।

ঘটনাটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত বা তদন্তের ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবি উপাচার্যের কার্যালয়ে কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ

বেরোবি উপাচার্যের কার্যালয়ে কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশের সময়ঃ ১০:৩৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীর কার্যালয়ের ভেতরে কথা-কাটাকাটির জেরে এক কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপাচার্যের দপ্তরে এ ঘটনা ঘটে। এতে বাংলা বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. রফিক ইসলাম আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের সূত্রে জানা গেছে, দুই শিক্ষকের মধ্যে চিঠি আদান-প্রদানসংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল। ওই আলোচনায় অংশ নিয়ে চিঠি পাঠানোর বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন রফিক ইসলাম। এ সময় জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরামের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়।

রফিক ইসলামের অভিযোগ, একপর্যায়ে সংস্থাপন শাখার কর্মকর্তা ও ফোরামের সহসভাপতি ড. জিয়াউল হক জুনিয়র তাঁকে ঘুষি মারেন। পরে রিসার্চ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা ও ফোরামের সভাপতি ড. রোকনুজ্জামান করিডরে থাকা ফুলের টব দিয়ে তাঁকে আঘাত করেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এ ছাড়া শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের পরিচালক ও ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মামদুদুর রহমান, কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম এবং লাবুসহ কয়েকজন তাঁকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রফিক ইসলাম বলেন, দুই শিক্ষকের বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় চিঠি পাঠানো নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। তখন তিনি বলেন, এসব চিঠি কারা পাঠায়, তার একটি বিহিত করা দরকার, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে। তাঁর ভাষ্য, আলোচনার একপর্যায়ে একজন তাঁকে সিনিয়র-জুনিয়র বোঝার কথা বলেন। এরপর একজন তাঁকে মারতে এগিয়ে এসে প্রথমে ঘুষি মারেন এবং পরে কয়েকজন মিলে মারধর করেন বলে দাবি করেন তিনি।

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তারা। তাঁদের ভাষ্য, দুই শিক্ষকের মধ্যে একটি বিষয়ে আলোচনা চলছিল। এ সময় রফিক ইসলাম কথার মাঝখানে কথা বললে তাঁকে নিষেধ করা হয়। পরে তিনি আক্রমণাত্মকভাবে এগিয়ে এলে তাঁরা তাঁকে বাধা দেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয় বলে তাঁরা দাবি করেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি; সিদ্ধান্ত হলে জানানো হবে।

ঘটনাটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত বা তদন্তের ঘোষণা পাওয়া যায়নি।