ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
যশোরে মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মামুনের মৃত্যু, মায়ের কবরের পাশেই দাফন মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হত্যা: স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতা বহিষ্কার নজরুল বর্ষ উপলক্ষে এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে আধিপত্য নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ককটেল ও রামদাসহ আটক ২ ভৈরবে বিয়ের পরদিন স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ নববধূর নিখোঁজ, থানায় অভিযোগ বেরোবিতে গবেষণা বিষয়ক সেমিনার: আইডিয়া জেনারেশন থেকে প্রকাশনা পর্যন্ত দিকনির্দেশনা ডেঙ্গু রোগীদের সুরক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে মশারি দিল জেলা পরিষদ তাহসিফ হত্যা মামলা: দীপকে ফের ৭ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ শেখ হাসিনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত অস্থিতিশীলতার চেষ্টা চলবে: তথ্য উপদেষ্টা

নজরুল বর্ষ উপলক্ষে এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

নজরুল বর্ষ উপলক্ষে এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শফিকুল বারী।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শফিকুল বারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম ও রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. জিয়াউর আহসান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম শুধু একজন কবি বা সাহিত্যিক ছিলেন না; তিনি ছিলেন সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর লেখায় শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সাম্যের বাণী ফুটে উঠেছে। নজরুলের আদর্শ ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে নিজেদের মেধা ও মননের বিকাশ ঘটাতে হবে। সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষার্থীদের মানবিক, উদার ও অসাম্প্রদায়িক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে। কাজী নজরুল ইসলামের জীবনাদর্শ অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায়বোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। নজরুলের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মামুনের মৃত্যু, মায়ের কবরের পাশেই দাফন

নজরুল বর্ষ উপলক্ষে এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

প্রকাশের সময়ঃ ১২:৫৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এক্সিম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শফিকুল বারী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম ও রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. জিয়াউর আহসান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম শুধু একজন কবি বা সাহিত্যিক ছিলেন না; তিনি ছিলেন সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর লেখায় শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সাম্যের বাণী ফুটে উঠেছে। নজরুলের আদর্শ ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে নিজেদের মেধা ও মননের বিকাশ ঘটাতে হবে। সাংস্কৃতিক চর্চা শিক্ষার্থীদের মানবিক, উদার ও অসাম্প্রদায়িক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে। কাজী নজরুল ইসলামের জীবনাদর্শ অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায়বোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। নজরুলের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।