ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

জুলাইয়ের আগুন গোপালগঞ্জে ছড়াতে চায়নি দেশ—চট্টগ্রামে উত্তাল জামায়াতের প্রতিরোধ

মোঃ শহিদুল ইসলাম,বিশেষ সংবাদদাতাঃগোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের নৈরাজ্য, হামলা ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম মহানগরী। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৫টায় কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমির, বিশিষ্ট পরিবেশবিদ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। সঞ্চালনায় ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন:
অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন (মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, চট্টগ্রাম-২)

ডা. এ কে এম ফজলুল হক (মনোনীত প্রার্থী, চট্টগ্রাম-১০) ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস (মহানগর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি)
এছাড়াও নগর কর্মপরিষদ সদস্য ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

“জুলাই চেতনার আগুনেই পতন ঘটবে ফ্যাসিবাদের—নজরুল ইসলাম বলেন,

“১৯৪৭ সালে মুসলিম জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছিলাম, আর ৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল ন্যায়বিচার ও মর্যাদার জন্য। কিন্তু আওয়ামী শাসন জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষাকে রূপান্তর করেছে ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনে।”

তিনি আরও বলেন,
“জুলাইয়ের শহীদ আবু সাঈদের রক্তে ফ্যাসিবাদের পতনের ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছে। যখন দেশ ‘জুলাই বিপ্লবের’ বার্ষিকী পালন করছে, তখনই গোপালগঞ্জে সংঘটিত হামলা দেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।”

সাত দফা দাবিতে জাতীয় মহাসমাবেশ সফল করার ডাক”নজরুল ইসলাম সেনা-জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের প্রশংসা করে বলেন—

“এবার সময় এসেছে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার। ইসলামী নীতিমালার ভিত্তিতেই তা সম্ভব। আগামী ১৯ জুলাইয়ের জাতীয় মহাসমাবেশে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানাই।”

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন:
হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোসাইন, ফারুকে আজম, ইসমাইল, সিসিএ সভাপতি সেলিম জামান, আ ম ম মসরুর হোসাইন, শহীদ ফারুকের পিতা মোহাম্মদ দুলাল প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

জুলাইয়ের আগুন গোপালগঞ্জে ছড়াতে চায়নি দেশ—চট্টগ্রামে উত্তাল জামায়াতের প্রতিরোধ

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:০২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫

মোঃ শহিদুল ইসলাম,বিশেষ সংবাদদাতাঃগোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের নৈরাজ্য, হামলা ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম মহানগরী। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৫টায় কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমির, বিশিষ্ট পরিবেশবিদ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। সঞ্চালনায় ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ।

প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন:
অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন (মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, চট্টগ্রাম-২)

ডা. এ কে এম ফজলুল হক (মনোনীত প্রার্থী, চট্টগ্রাম-১০) ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস (মহানগর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি)
এছাড়াও নগর কর্মপরিষদ সদস্য ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

“জুলাই চেতনার আগুনেই পতন ঘটবে ফ্যাসিবাদের—নজরুল ইসলাম বলেন,

“১৯৪৭ সালে মুসলিম জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছিলাম, আর ৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল ন্যায়বিচার ও মর্যাদার জন্য। কিন্তু আওয়ামী শাসন জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষাকে রূপান্তর করেছে ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনে।”

তিনি আরও বলেন,
“জুলাইয়ের শহীদ আবু সাঈদের রক্তে ফ্যাসিবাদের পতনের ঘণ্টা বাজতে শুরু করেছে। যখন দেশ ‘জুলাই বিপ্লবের’ বার্ষিকী পালন করছে, তখনই গোপালগঞ্জে সংঘটিত হামলা দেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।”

সাত দফা দাবিতে জাতীয় মহাসমাবেশ সফল করার ডাক”নজরুল ইসলাম সেনা-জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের প্রশংসা করে বলেন—

“এবার সময় এসেছে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার। ইসলামী নীতিমালার ভিত্তিতেই তা সম্ভব। আগামী ১৯ জুলাইয়ের জাতীয় মহাসমাবেশে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানাই।”

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন:
হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোসাইন, ফারুকে আজম, ইসমাইল, সিসিএ সভাপতি সেলিম জামান, আ ম ম মসরুর হোসাইন, শহীদ ফারুকের পিতা মোহাম্মদ দুলাল প্রমুখ।