ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

পটুয়াখালী ভার্সিটির, ইউট্যাব শাখার সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের নিন্দা

দুমকী ও পবিপ্রবি প্রতিনিধি :

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) ইউনিটে শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের নবগঠিত কমিটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণার প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার স্থানীয় একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউট্যাব (ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) পবিপ্রবি ইউনিটের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মামুন অর রশীদ এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়—দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
এই সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় দপ্তরের নজরে আসে। এ বিষয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আনিসুর রহমান আনিস এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক তালুকদার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “ইউট্যাব পবিপ্রবি শাখার এ ধরনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ এখতিয়ারবহির্ভূত, বেআইনি ও অগণতান্ত্রিক। এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও মুক্ত চিন্তার চর্চার পরিপন্থী।”বিবৃতিতে তাঁরা আরও বলেন, “গুটিকয়েক স্বার্থান্বেষী ব্যক্তির এমন অযৌক্তিক ও বিভ্রান্তিকর উদ্যোগ জাতীয়তাবাদী শিক্ষাবিদ সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করবে এবং দলীয় ঐক্য বিনষ্টের পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করবে।”কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মতে, ১৯৯৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মরহুম প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদ গত ২৮ বছর ধরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা, গণতান্ত্রিক আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী দর্শন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে কাজ করে আসছে। সংগঠনটি নিয়মিতভাবে সেমিনার, প্রকাশনা এবং মুক্তচিন্তার চর্চাসহ বিএনপি ঘোষিত বিভিন্ন গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে আসছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “পবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও মুক্তবুদ্ধির চর্চার পরিপন্থী এমন ঘৃণ্য সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষক সমাজ কোনোভাবেই এ ধরনের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপকে মেনে নেবে না।”এ সময়ে জিয়া গবেষণা পরিষদ এর নেতৃবৃন্দ বেশ কয়েকবার বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহিত সাক্ষাৎ করে পরিষদের বিভিন্ন গ্রন্থ, প্রকাশনা তার হাতে তুলে দেয়াসহ বিগত ২০১৪ সালে অবরোধের সময়ে সচিবালয়ে’ র গাড়ী পোড়ানো সহ ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের দায়েরকৃত বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় দীর্ঘ কারাবরণ শেষে জিয়া গবেষণা পরিষদ এর নেতৃবৃন্দ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহিত সাক্ষাৎ করেন।প্রতিবাদ লিপিতে জিয়া গবেষণা পরিষদ এর নেতৃবৃন্দ বিগত ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকার বিষয়ে পবিপ্রবি’র ইউট্যাব নেতৃবৃন্দের নিকট প্রশ্ন রেখে জানতে চান বিগত আন্দোলনে আপনারা একদিন কারাবরণ তো দূরের কথা একটি মিথ্যা মামলায়ও আসামি হয়েছিলেন কিনা? এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়েছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

পটুয়াখালী ভার্সিটির, ইউট্যাব শাখার সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের নিন্দা

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

দুমকী ও পবিপ্রবি প্রতিনিধি :

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) ইউনিটে শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের নবগঠিত কমিটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণার প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার স্থানীয় একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউট্যাব (ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) পবিপ্রবি ইউনিটের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মামুন অর রশীদ এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়—দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
এই সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় দপ্তরের নজরে আসে। এ বিষয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. আনিসুর রহমান আনিস এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক তালুকদার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “ইউট্যাব পবিপ্রবি শাখার এ ধরনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ এখতিয়ারবহির্ভূত, বেআইনি ও অগণতান্ত্রিক। এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও মুক্ত চিন্তার চর্চার পরিপন্থী।”বিবৃতিতে তাঁরা আরও বলেন, “গুটিকয়েক স্বার্থান্বেষী ব্যক্তির এমন অযৌক্তিক ও বিভ্রান্তিকর উদ্যোগ জাতীয়তাবাদী শিক্ষাবিদ সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করবে এবং দলীয় ঐক্য বিনষ্টের পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করবে।”কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মতে, ১৯৯৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মরহুম প্রফেসর এমাজউদ্দিন আহমেদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত শহীদ জিয়া গবেষণা পরিষদ গত ২৮ বছর ধরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা, গণতান্ত্রিক আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী দর্শন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে কাজ করে আসছে। সংগঠনটি নিয়মিতভাবে সেমিনার, প্রকাশনা এবং মুক্তচিন্তার চর্চাসহ বিএনপি ঘোষিত বিভিন্ন গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে আসছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “পবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও মুক্তবুদ্ধির চর্চার পরিপন্থী এমন ঘৃণ্য সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী শিক্ষক সমাজ কোনোভাবেই এ ধরনের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপকে মেনে নেবে না।”এ সময়ে জিয়া গবেষণা পরিষদ এর নেতৃবৃন্দ বেশ কয়েকবার বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহিত সাক্ষাৎ করে পরিষদের বিভিন্ন গ্রন্থ, প্রকাশনা তার হাতে তুলে দেয়াসহ বিগত ২০১৪ সালে অবরোধের সময়ে সচিবালয়ে’ র গাড়ী পোড়ানো সহ ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারের দায়েরকৃত বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় দীর্ঘ কারাবরণ শেষে জিয়া গবেষণা পরিষদ এর নেতৃবৃন্দ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহিত সাক্ষাৎ করেন।প্রতিবাদ লিপিতে জিয়া গবেষণা পরিষদ এর নেতৃবৃন্দ বিগত ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকার বিষয়ে পবিপ্রবি’র ইউট্যাব নেতৃবৃন্দের নিকট প্রশ্ন রেখে জানতে চান বিগত আন্দোলনে আপনারা একদিন কারাবরণ তো দূরের কথা একটি মিথ্যা মামলায়ও আসামি হয়েছিলেন কিনা? এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়েছে।