ঢাকা ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
পৌরসভার নিমগাছিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ইবিতে ছাত্রশক্তির ‘বিএনপি সরকারের ২০০ দিনের ব্যর্থতা’ ব্যানার সরাল প্রশাসন কালকিনিতে শিশুকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগ, অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন দেড় বছর তদন্তেও শারমিন গোলন্দাজের একই সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার, শোকজ ৬ জনকে লাইব্রেরি আছে, পাঠক কোথায় প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার পর অসুস্থ গৃহবধূ, ঢামেকে মৃত্যু ৯০ দিনেও পূর্ণাঙ্গ হয়নি ইবি ছাত্রদলের কমিটি, পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে অসন্তোষ পরিকল্পিত নগর গড়তে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে: এমপি ওয়াহিদ আগুনে সর্বস্ব হারাল দিনমজুর হাসানের পরিবার, খোলা আকাশের নিচে ৪ জন

চুয়াডাঙ্গায় মদপানে ৭ মৃত্যুর ৪ মরদেহ উত্তোলন, হবে ময়নাতদন্ত

আবুল হাশেম দামুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধি ,চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ এলাকায় বিষাক্ত মদপানে ৭ জনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রশাসন পূনরায় কবর থেকে চারজনের মরদেহ উত্তোলন করেছে। এর আগে তিন জনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষ করা হয়েছিল।বাকী চারজনের মরদেহ গোপনে তাদের পরিবার দাফন করেছিল।
ক
মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ও এলাকাবাসীর পাশাপাশি একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এসব মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করা হয়।এব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশক সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এ ঘটনায় সদর থানায় ইতোমধ্যেক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে তিন জনের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্নক হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে বাকি চারজনের মরদেহ পূনরায় কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।সেগুলো ময়নাতদন্ত করা হবে।উত্তোলন মরদেহ গুলো হলো চুয়াডাঙ্গা সদরের পিরোজখালি গ্রামের নবীছউদ্দিনের ছেলে লাল্টু হোসেন, খেজুরা গ্রামের মৃতক দাউদ আলীর ছেলে সেলিম (৪৫), নফরকান্দি গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে খেদের আলী (৫০) এবং শংকরচন্দ্র গ্রামের শহিদুল মোল্লা।
উল্লেখ্য ৯ অক্টোবর দিবাগত রাতে সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ বাজার এলাকায় বেশ কয়েকজন মিলে বিষাক্ত অ্যালকোহল পান করেন। এরপর একে একে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন সময়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়। পরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যুর পর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। পরে পুলিশ নিহতদের বাড়িতে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। এ সময় জানা যায়, নিহতদের মধ্যে চারজনকে গোপনে দাফন করে ফেলেছিল তাদের পরিবারের সদস্যরা। আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার ওই চারজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করা হয়।
এদিকে, এই মৃত্যুর ঘটনার সঙ্গে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিষাক্ত স্পিরিটের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছিল পুলিশ। বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ মূলহোতাসহ দুজনকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১১৭ বোতল মেয়াদোত্তীর্ণ স্পিরিট।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঝিনাইদহ থেকে মূল আসামি ফারুক আহমেদ ওরফে ‘এ্যালকো ফারুক ও তার সহযোগী জুমাত আলীকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক স্বীকার করে, সে দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সবিহীনভাবে হোমিও চিকিৎসার নামে মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যালকোহল বিক্রি করে আসছিল এবং চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ দিত।
পুলিশের ধারণা, ফারুকের সরবরাহ করা এই বিষাক্ত স্পিরিট পান করেই ছয়জনের মৃত্যু হয়।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

পৌরসভার নিমগাছিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

চুয়াডাঙ্গায় মদপানে ৭ মৃত্যুর ৪ মরদেহ উত্তোলন, হবে ময়নাতদন্ত

প্রকাশের সময়ঃ ১১:৪৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

আবুল হাশেম দামুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধি ,চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ এলাকায় বিষাক্ত মদপানে ৭ জনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রশাসন পূনরায় কবর থেকে চারজনের মরদেহ উত্তোলন করেছে। এর আগে তিন জনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষ করা হয়েছিল।বাকী চারজনের মরদেহ গোপনে তাদের পরিবার দাফন করেছিল।
ক
মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ও এলাকাবাসীর পাশাপাশি একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এসব মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করা হয়।এব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশক সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এ ঘটনায় সদর থানায় ইতোমধ্যেক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে তিন জনের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্নক হয়েছিল। আদালতের নির্দেশে বাকি চারজনের মরদেহ পূনরায় কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।সেগুলো ময়নাতদন্ত করা হবে।উত্তোলন মরদেহ গুলো হলো চুয়াডাঙ্গা সদরের পিরোজখালি গ্রামের নবীছউদ্দিনের ছেলে লাল্টু হোসেন, খেজুরা গ্রামের মৃতক দাউদ আলীর ছেলে সেলিম (৪৫), নফরকান্দি গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে খেদের আলী (৫০) এবং শংকরচন্দ্র গ্রামের শহিদুল মোল্লা।
উল্লেখ্য ৯ অক্টোবর দিবাগত রাতে সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ বাজার এলাকায় বেশ কয়েকজন মিলে বিষাক্ত অ্যালকোহল পান করেন। এরপর একে একে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন সময়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়। পরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যুর পর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। পরে পুলিশ নিহতদের বাড়িতে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। এ সময় জানা যায়, নিহতদের মধ্যে চারজনকে গোপনে দাফন করে ফেলেছিল তাদের পরিবারের সদস্যরা। আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার ওই চারজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করা হয়।
এদিকে, এই মৃত্যুর ঘটনার সঙ্গে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিষাক্ত স্পিরিটের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছিল পুলিশ। বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ মূলহোতাসহ দুজনকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১১৭ বোতল মেয়াদোত্তীর্ণ স্পিরিট।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঝিনাইদহ থেকে মূল আসামি ফারুক আহমেদ ওরফে ‘এ্যালকো ফারুক ও তার সহযোগী জুমাত আলীকে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক স্বীকার করে, সে দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সবিহীনভাবে হোমিও চিকিৎসার নামে মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যালকোহল বিক্রি করে আসছিল এবং চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ দিত।
পুলিশের ধারণা, ফারুকের সরবরাহ করা এই বিষাক্ত স্পিরিট পান করেই ছয়জনের মৃত্যু হয়।