ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

দুমকি উপজেলায়,ছাত্র দলের বহিষ্কৃত নেতারা রাজনীতিতে সরব!

জাকির হোসেন হাওলাদার।

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়, বিএনপির ও সহযোগী সংগঠন ছাএ দল থেকে বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতা পুনরায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। এ ঘটনায় সাধারণ নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
গত শনিবার (১৯ অক্টোবর) পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টির সমাবেশকে স্বাগত জানাতে লেবুখালী পায়রা সেতুর টোল প্লাজায় আয়োজিত মিছিলে বহিষ্কৃত ছাএ নেতা চাকলাদার গোলাম সরোয়ার কে অংশ নিতে দেখা গেছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন রিপন শরীফ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য জিএম ওলিউর রহমান এবং ছাত্রদলের আহ্বায়ক গোলাম সরোয়ারকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার করা হয়। তাঁদের রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার নির্দেশনাও ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের মিছিল-সমাবেশে অংশগ্রহণের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
৫ আগস্টের পর দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জিএম ওলিউর রহমান সম্প্রতি বিএনপির সদস্য পদ নবায়ন করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন, যা নিয়ে দলীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকে বিষয়টিকে ‘বহিষ্কার থেকে প্রমোশন’ বলেও ট্রল করছেন।
উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া গোলাম সরোয়ারকেও লেবুখালীর মিছিলে অগ্রভাগে দেখা গেছে, যেখানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান নেতৃত্ব দেন।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধা বলেন, মিছিলে কে আসলো তা দেখা সম্ভব নয়। তবে বহিষ্কৃতদের বিষয়ে জেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলবো।
উপজেলা সভাপতি খলিলুর রহমান বলেন, বহিষ্কৃতদের রাজনৈতিক প্রোগ্রামে বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ নেই। কেউ সদস্য নবায়ন করে থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংসু সরকার কুট্টি বলেন, একজন কেন্দ্রীয় নেতার আশ্রয়ে বহিস্কৃতদের নিয়ে কিছু কিছু অনিয়ম হচ্ছে স্বীকার করে বলেন, এতবড় দল, সাংগঠনিক কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি হচ্ছে, আমরা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা করছি। বিষয়টি কঠর ভাবে দেখা হবে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

দুমকি উপজেলায়,ছাত্র দলের বহিষ্কৃত নেতারা রাজনীতিতে সরব!

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

জাকির হোসেন হাওলাদার।

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায়, বিএনপির ও সহযোগী সংগঠন ছাএ দল থেকে বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতা পুনরায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। এ ঘটনায় সাধারণ নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
গত শনিবার (১৯ অক্টোবর) পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টির সমাবেশকে স্বাগত জানাতে লেবুখালী পায়রা সেতুর টোল প্লাজায় আয়োজিত মিছিলে বহিষ্কৃত ছাএ নেতা চাকলাদার গোলাম সরোয়ার কে অংশ নিতে দেখা গেছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন রিপন শরীফ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য জিএম ওলিউর রহমান এবং ছাত্রদলের আহ্বায়ক গোলাম সরোয়ারকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার করা হয়। তাঁদের রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার নির্দেশনাও ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের মিছিল-সমাবেশে অংশগ্রহণের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
৫ আগস্টের পর দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জিএম ওলিউর রহমান সম্প্রতি বিএনপির সদস্য পদ নবায়ন করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন, যা নিয়ে দলীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকে বিষয়টিকে ‘বহিষ্কার থেকে প্রমোশন’ বলেও ট্রল করছেন।
উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া গোলাম সরোয়ারকেও লেবুখালীর মিছিলে অগ্রভাগে দেখা গেছে, যেখানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান নেতৃত্ব দেন।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধা বলেন, মিছিলে কে আসলো তা দেখা সম্ভব নয়। তবে বহিষ্কৃতদের বিষয়ে জেলা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলবো।
উপজেলা সভাপতি খলিলুর রহমান বলেন, বহিষ্কৃতদের রাজনৈতিক প্রোগ্রামে বক্তৃতা দেওয়ার সুযোগ নেই। কেউ সদস্য নবায়ন করে থাকলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংসু সরকার কুট্টি বলেন, একজন কেন্দ্রীয় নেতার আশ্রয়ে বহিস্কৃতদের নিয়ে কিছু কিছু অনিয়ম হচ্ছে স্বীকার করে বলেন, এতবড় দল, সাংগঠনিক কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি হচ্ছে, আমরা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা করছি। বিষয়টি কঠর ভাবে দেখা হবে।