ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন বীরমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি রাজশাহীতে শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে সোয়া লাখের বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার সকালেই নিভে গেল তিশার স্বপ্ন-এক মৃত্যুর শোক, হাজার প্রশ্নের ভার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু এইচএসসি পরীক্ষা, কারাগার থেকে পরীক্ষা দিলেন এক শিক্ষার্থী খেলা দেখা নিয়ে বিরোধ, সালিশ শেষে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত লক্ষ্মীপুর থানার ওসি প্রত্যাহার বরিশালে ভূমি অফিসে অনিয়মের প্রমাণ, দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি বেরোবির ৪ মেধাবী নারী শিক্ষার্থী পেলেন ‘হাসনা ইলাহি মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে তোলপাড়

বাড়ির পেছনের জঙ্গলে মিললো কন্যা শিশুর মরদেহ

পাবনা পৌরসভার সরদারপাড়া ঘাটপাড় এলাকায় বাড়ির পেছনের জঙ্গল থেকে হাফসা খাতুন (৯) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে সন্ধ্যা ৬টার দিকে নিখোঁজ হয় শিশুটি।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রমজান (২৮) ও সাব্বির (২৫) নামে স্থানীয় দুজনকে আটক করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শরিফুল ইসলাম।

নিহত হাফসা খাতুন প্রবাসী হাফিজুর রহমানের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাবা হাফিজুর প্রবাসী হওয়ায় মা ও হাফসা নানা মল্লিক সরদারের বাড়িতে থাকেন। শনিবার সন্ধ্যা অবধি হাফসা মায়ের সঙ্গে ছিল। কিন্তু সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় সে। এরপর আশপাশে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির পেছনের ওই জঙ্গলে পাটিতে প্যাঁচানো হাফসার মরদেহের সন্ধান মেলে। পরে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্র বলছে, ওই জঙ্গলে নিয়মিত মাদকসেবীরা মাদক সেবন করতো এবং আড্ডা দিত। অনেক সময় মাদকসেবীরা মল্লিক সরদারের বাড়িতে দিয়াশলাই ও পানিও চাইতে যেত। সেখান থেকে শিশুটি হয়ত তাদের কুনজরে পড়তে পারে। সন্ধ্যায় তাকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে নিয়ে হত্যা করা হতে পারে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সদর থানার মর্গে রাখা হয়েছে। কী কারণে ও কীভাবে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে, সেটি এখনো জানা যায়নি। ধর্ষণ হয়েছে কি না সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধর্ষণজনিত কারণ হতে পারে। আবার মেয়েটির কানে স্বর্ণের দুল ছিল। সেগুলোও মরদেহের সঙ্গে পাওয়া যায়নি। এ কারণেও হত্যা করা হতে পারে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে সঠিক কারণ জানা যাবে। আপাতত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

বাড়ির পেছনের জঙ্গলে মিললো কন্যা শিশুর মরদেহ

প্রকাশের সময়ঃ ০৫:১৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

পাবনা পৌরসভার সরদারপাড়া ঘাটপাড় এলাকায় বাড়ির পেছনের জঙ্গল থেকে হাফসা খাতুন (৯) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে সন্ধ্যা ৬টার দিকে নিখোঁজ হয় শিশুটি।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রমজান (২৮) ও সাব্বির (২৫) নামে স্থানীয় দুজনকে আটক করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শরিফুল ইসলাম।

নিহত হাফসা খাতুন প্রবাসী হাফিজুর রহমানের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাবা হাফিজুর প্রবাসী হওয়ায় মা ও হাফসা নানা মল্লিক সরদারের বাড়িতে থাকেন। শনিবার সন্ধ্যা অবধি হাফসা মায়ের সঙ্গে ছিল। কিন্তু সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় সে। এরপর আশপাশে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির পেছনের ওই জঙ্গলে পাটিতে প্যাঁচানো হাফসার মরদেহের সন্ধান মেলে। পরে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্র বলছে, ওই জঙ্গলে নিয়মিত মাদকসেবীরা মাদক সেবন করতো এবং আড্ডা দিত। অনেক সময় মাদকসেবীরা মল্লিক সরদারের বাড়িতে দিয়াশলাই ও পানিও চাইতে যেত। সেখান থেকে শিশুটি হয়ত তাদের কুনজরে পড়তে পারে। সন্ধ্যায় তাকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে নিয়ে হত্যা করা হতে পারে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সদর থানার মর্গে রাখা হয়েছে। কী কারণে ও কীভাবে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে, সেটি এখনো জানা যায়নি। ধর্ষণ হয়েছে কি না সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ধর্ষণজনিত কারণ হতে পারে। আবার মেয়েটির কানে স্বর্ণের দুল ছিল। সেগুলোও মরদেহের সঙ্গে পাওয়া যায়নি। এ কারণেও হত্যা করা হতে পারে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে সঠিক কারণ জানা যাবে। আপাতত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।