
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে দুই বাংলাদেশি নাগরিক নির্মমভাবে নিহত এবং লাশ পদ্মা নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে স্থানীয় জনগণ। শনিবার সকাল সাড়ে দশ টায় শিবগঞ্জ বাজার কেন্দ্রী জামে মসজিদের সামনে সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে জনতার ঢল নামে। সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবিতে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মামুনুর রশীদ,ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, কানসাট শাখার ইমাম হাফেজ মো. শামিম হোসাইন, ছাত্র অধিকার পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি মো. ওয়াহেদুজ্জামান সাইম,আ’ বাংলাদেশ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাকসহ অন্যরা।“বন্ধুত্বের নামে লাশ উপহার বন্ধ করুন”-বক্তাদের হুঁশিয়ারিবক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ হলেও বন্ধুত্বের আড়ালে নিত্যদিন নির্যাতনের রাজনীতি চালাচ্ছে। নানা অজুহাতে সুযোগ-সুবিধা নিলেও তার বিনিময়ে পাঠাচ্ছে লাশ আর লাশ। বন্ধুত্ব যদি এটাই হয়—তবে এই সম্পর্ক বাংলাদেশ আর চায় না।” বক্তারা স্পষ্ট করে বলেন,“সরকারকে আজকের মানববন্ধনের দাবী-ভারতের সঙ্গে সব ধরনের বিশেষ সুবিধাজনক সম্পর্ক ছিন্ন করুন। বিজিবিকে আবারও ‘বিডিআর’ শক্তিতে ফিরিয়ে এনে সীমান্ত সুরক্ষায় আগের মতো সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিন।”সীমান্তে ‘ভারতীয় আগ্রাসন’ প্রতিরোধে ঐক্যের ডাকবক্তারা আরো বলেন-বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতের আগ্রাসন আর বরদাশত করা হবে না। সীমান্তবর্তী গ্রামের মানুষের জীবন রক্ষায় শক্ত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।এক বক্তার বক্তব্যে প্রতিধ্বনি ওঠে-“সীমান্ত হত্যার বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলুন, আমাদের ভাইদের জীবন বাঁচান। এই হত্যাযজ্ঞ চলতে দেওয়া যাবে না।”মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শিবগঞ্জ বাজার প্রদক্ষিণ করে।সীমান্তে দুই বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় স্থানীয়রা এখনো উত্তেজিত ও শোকাহত।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 





















