ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

ওয়ারিশন জালিয়াতির মাধ্যমে জমি হাতবদলের অভিযোগ

ওয়ারিশন জালিয়াত চক্র

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঠাকুর পালসা মৌজার আর,এস ৩৮০ খতিয়ানে আর,এস ৯০ও ৯২ নং দাগের রেকর্ডভুক্ত জমি নিয়ে এতিমের সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। জালিয়াতি ও আত্মসাতের বিরুদ্ধে গত-২১/১০/২০২৫ইং তারিখে জমির ওয়ারিশ মোঃ আল আমিন সহকারী কমিশনার (ভূমি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর বরাবর ৪৪৪৭/২০২৪-২৫ নং খারিজ বাতিলের আবেদন করেছেন।চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তফসিলভুক্ত জমির রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন সাবেদা খাতুন। তিনি ১৯৯৬ সালের ৯ এপ্রিল ২২৭৮ নম্বর হেবা-বিল-এওয়াজ দলিলের মাধ্যমে জমিটি তাঁর পুত্র গোলাম মোস্তফা (ভুটু মিয়া)-কে দান করেন। পরবর্তীতে ভুটু মিয়ার মৃত্যুর পর তার ছেলে ১। মোঃ আনারুল হক ২। মোঃ গোলাম রাব্বানী ৩। মোঃ গোলাম সারওয়ার বাবু এবং মেয়ে মোসাঃ নূর নাহার হক। ৫ স্ত্রী মোসাঃ বিলকিস য়ারা বেগম ওয়ারিশ হয়। মোসাঃ বিলকিস য়ারা বেগমের মৃত্যান্তে ছেলে ১। মোঃ আনারুল হক ২। মোঃ গোলাম রাব্বানী ৩। মোঃ গোলাম সারওয়ার বাবু এবং মেয়ে মোসাঃ নূর নাহার হক ওয়ারিশ হয় । ছেলে গোলাম সারওয়ার (বাবু) তাঁর মৃত্যান্তে ছেলে মোঃ আল আমিন ও মেয়ে মোসাঃ শামিমা আক্তার ওয়ারিশ হয়। গোলাম রাব্বানীর দাবি যে, আমরা কোন ওয়ারেশন বা খারিজের জন্য কোথাও যায়নি। আমরা শুধু রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি করেদিয়েছি । যা করেছে জমি গ্রহিতা আলী হায়দার ও মোঃ কামরান আলী। এদিকে আলী হায়দার ও মোঃ কামরান আলী জমি খরিদের পরে নামজারী আবেদন করেন যার আবেদন নং-৭০২৬/২০২৫-২৬। এ আবেদনের বিষয়ে আল আমিন জানতে পেরে ৭০২৬/২০২৫-২৬ আবেদটি বন্ধের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর গত-২৮/১০/২০২৫ইং তারিখে আবেদন করেন। আল আমিনের আবেদনের প্রেক্ষিতে আলী হায়দার ও মোঃ কামরান আলীর নাম জারী আবেদনের কার্যক্রম স্থগিত করেছেন সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ।জানাগেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের অধীনে (রাজস্ব ভুক্ত) অফিস সহায়ক পদে ১৯৮৮ সালে চাকুরীতে যোগদান করেন। এবং সে সুবাদে জেলার বিভিন্ন ভূমি অফিসে কর্মরত ছিলেন গোলাম রাব্বানী। বর্তমানে তিনি অবসরে আছেন। অবসরে থাকলেও গোলাম রাব্বানীর থেমে নেয় জালজালিয়াতির কার্যক্রম। দ্বারিয়াপুর এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানায়, গোলাম রাব্বানী ১৯৮৮ সালেও একটি দলিল জাল করে এবং তার দাদি সাবেদা খাতুনের জমি লিখে নেয় এবং সে দলিলের কোন অস্তিত্ব নেয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে। গোলাম সারওয়ার (বাবু) তাঁর মৃত্যান্তে ছেলে মোঃ আল আমিন ও মেয়ে মোসাঃ শামিমা আক্তার ওয়ারিশ বৈধ ওয়ারেশ হওয়া শর্ত্বেও জালিয়াত গোলাম রাব্বানীর রোশানলে পড়ে আছে এতিম আল-আমিন ও শামিমা আক্তার। ঠাকুর পালসা মৌজার আর,এস ৩৮০ খতিয়ানে আর,এস ৯০ও ৯২ নং দাগের রেকর্ডভুক্ত ৬৯ শতাংশ জমির মধ্যে ৮ শতাংশ জমি পুত্র মোঃ গোলাম মোস্তফা বরাবর ১৯৯৬ সালের ৯ এপ্রিল ২২৭৮ নম্বর হেবা-বিল-এওয়াজ দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করেন মাতা রেকর্ডীও প্রজা ওয়াজেদ আলী মিঞার স্ত্রী সাবেদা খাতুন। গোলাম মোস্তফার মৃৃত্যুর পরে গত বছরের ২১/১০/২০২৪ইং তারিখে গোলাম সারওয়ার (বাবু)র মৃত্যান্তে ছেলে মোঃ আল আমিন ও মেয়ে মোসাঃ শামিমা আক্তার কে ওয়ারিশ থেকে বাদ দিয়ে ১। মোঃ আনারুল হক ২। মোঃ গোলাম রাব্বানী ৩। মোসাঃ নূর নাহার হক ওয়ারেশন জালিয়াতি করে এবং উপজেলা ভূমি অফিসে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপ করে ৪৪৪৭/২০২৪-২৫ নং খারিজ কেসের মাধ্যমে তাদের নামে নাম জারী /খারিজ হাসিল করেন। জালজালিয়াতির মাধ্যমে ভূয়া ওয়ারেশন ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে উক্ত জমির খারিজ তাদের পক্ষে করে নিয়েছে, যা সম্পূর্ণভাবে প্রতারণা ও অন্যায়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এতিমের ন্যায্য সম্পত্তি আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দাবি করেন আবেদনকারী আল-আমিন।জালিয়াতির বিষয়ে আবেদনকারী আরএস ও প্রস্তাবিত খতিয়ান, ওয়ারিশ সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ভূমি কার্যালয়ে দাখিল করেছেন। তিনি দ্রুত খারিজ বাতিল করে জমি তাঁর নামে সংশোধনের জোর দাবিও জানান আল আমিন।ওয়ারেশন জালিয়াতি ও এতিম ওয়ারেশদের কে ফাঁকি দিয়ে জমি খারিজ ও হস্তান্তর বিষয়ে মোঃ গোলাম রাব্বানীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ওয়ারেশ ফাঁকি ও জালিয়াতির কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা কোন ওয়ারেশন বা খারিজের জন্য কোথাও যায়নি। আমরা শুধু রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি করেদিয়েছি। যা করেছে জমি গ্রহিতা আলী হায়দার ও মোঃ কামরান আলী। রেজিস্ট্রির পর আলী হায়দার কে আমি বলেছি আল আমিন ও শামিমার অংশ কেন রেজিস্ট্রি করা হলো? একথা বলা হলে গোলাম রাব্বানী কে আলী হায়দার বলেন আল আমিন ও শামিমা দাবি করলে তাদের কে টাকা দিয়ে স্ট্যাম্পে না দাবি স্বাক্ষর নিয়েনিবো। গোলাম সারওয়ার (বাবু)র মৃত্যান্তে ছেলে মোঃ আল আমিন ও মেয়ে মোসাঃ শামিমা আক্তার সম্পত্তির অংশ পাবে কিনা? গোলাম রব্বানীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আল আমিন ও শামিমা আক্তার জমির অংশ পাবে। এবং তাদের অংশের টাকা আলী হায়দারের কাছে জমা আছে বলেও জানান গোলাম রাব্বানী।উপরোক্ত বিষয়ে জমি গ্রহিতা আলী হায়দারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা টাকা দিয়ে জমি কিনেছি। আমরা ওয়ারেশন বা খারিজ কোন কিছু করিনি। যা করেছে জমি বিক্রেতা মোঃ গোলাম রাব্বানী। তাদের ওয়ারেশ কে বা কারা সেটা তারাই ভালো জানে আমরা এবিষয়ে কিছু জানিনা।চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঠাকুর পালসা মৌজার আর,এস ৩৮০ খতিয়ানে আর,এস ৯০ও ৯২ নং দাগের রেকর্ডভুক্ত জমি নিয়ে এতিমের সম্পত্তি জালিয়াতি ও আত্মসাতের বিরুদ্ধে গত-২১/১০/২০২৫ইং তারিখে জমির ওয়ারিশ মোঃ আল আমিন ৪৪৪৭/২০২৪-২৫ নং খারিজ বাতিলের আবেদন বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত চলমান। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান তিনি।এলাকাবাসী জানায়, রেকর্ডীও প্রজা সাবেদা খাতুন আলী হায়দার ও মোঃ কামরানের আপন ফুফু, সাবেদা খাতুনের মেজো ছেলে গোলাম মোস্তফা । গোলাম মোস্তফা হচ্ছে আলী হায়দার ও মোঃ কামরানের আপন ফুফাত ভাই হওয়া শর্ত্বেও কিভাবে ওয়ারেশ ফাঁকি দেয়? ওয়ারেশন জালিয়াতি করে এতিমের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার সাথে জড়িতদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিৎ।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ারিশন জালিয়াতির মাধ্যমে জমি হাতবদলের অভিযোগ

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:১৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঠাকুর পালসা মৌজার আর,এস ৩৮০ খতিয়ানে আর,এস ৯০ও ৯২ নং দাগের রেকর্ডভুক্ত জমি নিয়ে এতিমের সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। জালিয়াতি ও আত্মসাতের বিরুদ্ধে গত-২১/১০/২০২৫ইং তারিখে জমির ওয়ারিশ মোঃ আল আমিন সহকারী কমিশনার (ভূমি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর বরাবর ৪৪৪৭/২০২৪-২৫ নং খারিজ বাতিলের আবেদন করেছেন।চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তফসিলভুক্ত জমির রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন সাবেদা খাতুন। তিনি ১৯৯৬ সালের ৯ এপ্রিল ২২৭৮ নম্বর হেবা-বিল-এওয়াজ দলিলের মাধ্যমে জমিটি তাঁর পুত্র গোলাম মোস্তফা (ভুটু মিয়া)-কে দান করেন। পরবর্তীতে ভুটু মিয়ার মৃত্যুর পর তার ছেলে ১। মোঃ আনারুল হক ২। মোঃ গোলাম রাব্বানী ৩। মোঃ গোলাম সারওয়ার বাবু এবং মেয়ে মোসাঃ নূর নাহার হক। ৫ স্ত্রী মোসাঃ বিলকিস য়ারা বেগম ওয়ারিশ হয়। মোসাঃ বিলকিস য়ারা বেগমের মৃত্যান্তে ছেলে ১। মোঃ আনারুল হক ২। মোঃ গোলাম রাব্বানী ৩। মোঃ গোলাম সারওয়ার বাবু এবং মেয়ে মোসাঃ নূর নাহার হক ওয়ারিশ হয় । ছেলে গোলাম সারওয়ার (বাবু) তাঁর মৃত্যান্তে ছেলে মোঃ আল আমিন ও মেয়ে মোসাঃ শামিমা আক্তার ওয়ারিশ হয়। গোলাম রাব্বানীর দাবি যে, আমরা কোন ওয়ারেশন বা খারিজের জন্য কোথাও যায়নি। আমরা শুধু রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি করেদিয়েছি । যা করেছে জমি গ্রহিতা আলী হায়দার ও মোঃ কামরান আলী। এদিকে আলী হায়দার ও মোঃ কামরান আলী জমি খরিদের পরে নামজারী আবেদন করেন যার আবেদন নং-৭০২৬/২০২৫-২৬। এ আবেদনের বিষয়ে আল আমিন জানতে পেরে ৭০২৬/২০২৫-২৬ আবেদটি বন্ধের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর গত-২৮/১০/২০২৫ইং তারিখে আবেদন করেন। আল আমিনের আবেদনের প্রেক্ষিতে আলী হায়দার ও মোঃ কামরান আলীর নাম জারী আবেদনের কার্যক্রম স্থগিত করেছেন সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ।জানাগেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের অধীনে (রাজস্ব ভুক্ত) অফিস সহায়ক পদে ১৯৮৮ সালে চাকুরীতে যোগদান করেন। এবং সে সুবাদে জেলার বিভিন্ন ভূমি অফিসে কর্মরত ছিলেন গোলাম রাব্বানী। বর্তমানে তিনি অবসরে আছেন। অবসরে থাকলেও গোলাম রাব্বানীর থেমে নেয় জালজালিয়াতির কার্যক্রম। দ্বারিয়াপুর এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানায়, গোলাম রাব্বানী ১৯৮৮ সালেও একটি দলিল জাল করে এবং তার দাদি সাবেদা খাতুনের জমি লিখে নেয় এবং সে দলিলের কোন অস্তিত্ব নেয় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে। গোলাম সারওয়ার (বাবু) তাঁর মৃত্যান্তে ছেলে মোঃ আল আমিন ও মেয়ে মোসাঃ শামিমা আক্তার ওয়ারিশ বৈধ ওয়ারেশ হওয়া শর্ত্বেও জালিয়াত গোলাম রাব্বানীর রোশানলে পড়ে আছে এতিম আল-আমিন ও শামিমা আক্তার। ঠাকুর পালসা মৌজার আর,এস ৩৮০ খতিয়ানে আর,এস ৯০ও ৯২ নং দাগের রেকর্ডভুক্ত ৬৯ শতাংশ জমির মধ্যে ৮ শতাংশ জমি পুত্র মোঃ গোলাম মোস্তফা বরাবর ১৯৯৬ সালের ৯ এপ্রিল ২২৭৮ নম্বর হেবা-বিল-এওয়াজ দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করেন মাতা রেকর্ডীও প্রজা ওয়াজেদ আলী মিঞার স্ত্রী সাবেদা খাতুন। গোলাম মোস্তফার মৃৃত্যুর পরে গত বছরের ২১/১০/২০২৪ইং তারিখে গোলাম সারওয়ার (বাবু)র মৃত্যান্তে ছেলে মোঃ আল আমিন ও মেয়ে মোসাঃ শামিমা আক্তার কে ওয়ারিশ থেকে বাদ দিয়ে ১। মোঃ আনারুল হক ২। মোঃ গোলাম রাব্বানী ৩। মোসাঃ নূর নাহার হক ওয়ারেশন জালিয়াতি করে এবং উপজেলা ভূমি অফিসে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপ করে ৪৪৪৭/২০২৪-২৫ নং খারিজ কেসের মাধ্যমে তাদের নামে নাম জারী /খারিজ হাসিল করেন। জালজালিয়াতির মাধ্যমে ভূয়া ওয়ারেশন ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে উক্ত জমির খারিজ তাদের পক্ষে করে নিয়েছে, যা সম্পূর্ণভাবে প্রতারণা ও অন্যায়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এতিমের ন্যায্য সম্পত্তি আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দাবি করেন আবেদনকারী আল-আমিন।জালিয়াতির বিষয়ে আবেদনকারী আরএস ও প্রস্তাবিত খতিয়ান, ওয়ারিশ সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ভূমি কার্যালয়ে দাখিল করেছেন। তিনি দ্রুত খারিজ বাতিল করে জমি তাঁর নামে সংশোধনের জোর দাবিও জানান আল আমিন।ওয়ারেশন জালিয়াতি ও এতিম ওয়ারেশদের কে ফাঁকি দিয়ে জমি খারিজ ও হস্তান্তর বিষয়ে মোঃ গোলাম রাব্বানীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ওয়ারেশ ফাঁকি ও জালিয়াতির কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা কোন ওয়ারেশন বা খারিজের জন্য কোথাও যায়নি। আমরা শুধু রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি করেদিয়েছি। যা করেছে জমি গ্রহিতা আলী হায়দার ও মোঃ কামরান আলী। রেজিস্ট্রির পর আলী হায়দার কে আমি বলেছি আল আমিন ও শামিমার অংশ কেন রেজিস্ট্রি করা হলো? একথা বলা হলে গোলাম রাব্বানী কে আলী হায়দার বলেন আল আমিন ও শামিমা দাবি করলে তাদের কে টাকা দিয়ে স্ট্যাম্পে না দাবি স্বাক্ষর নিয়েনিবো। গোলাম সারওয়ার (বাবু)র মৃত্যান্তে ছেলে মোঃ আল আমিন ও মেয়ে মোসাঃ শামিমা আক্তার সম্পত্তির অংশ পাবে কিনা? গোলাম রব্বানীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আল আমিন ও শামিমা আক্তার জমির অংশ পাবে। এবং তাদের অংশের টাকা আলী হায়দারের কাছে জমা আছে বলেও জানান গোলাম রাব্বানী।উপরোক্ত বিষয়ে জমি গ্রহিতা আলী হায়দারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা টাকা দিয়ে জমি কিনেছি। আমরা ওয়ারেশন বা খারিজ কোন কিছু করিনি। যা করেছে জমি বিক্রেতা মোঃ গোলাম রাব্বানী। তাদের ওয়ারেশ কে বা কারা সেটা তারাই ভালো জানে আমরা এবিষয়ে কিছু জানিনা।চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঠাকুর পালসা মৌজার আর,এস ৩৮০ খতিয়ানে আর,এস ৯০ও ৯২ নং দাগের রেকর্ডভুক্ত জমি নিয়ে এতিমের সম্পত্তি জালিয়াতি ও আত্মসাতের বিরুদ্ধে গত-২১/১০/২০২৫ইং তারিখে জমির ওয়ারিশ মোঃ আল আমিন ৪৪৪৭/২০২৪-২৫ নং খারিজ বাতিলের আবেদন বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত চলমান। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান তিনি।এলাকাবাসী জানায়, রেকর্ডীও প্রজা সাবেদা খাতুন আলী হায়দার ও মোঃ কামরানের আপন ফুফু, সাবেদা খাতুনের মেজো ছেলে গোলাম মোস্তফা । গোলাম মোস্তফা হচ্ছে আলী হায়দার ও মোঃ কামরানের আপন ফুফাত ভাই হওয়া শর্ত্বেও কিভাবে ওয়ারেশ ফাঁকি দেয়? ওয়ারেশন জালিয়াতি করে এতিমের সম্পত্তি আত্মসাৎ করার সাথে জড়িতদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিৎ।