ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

বিজয় দিবসের প্রস্তুতিমূলক সভায় উত্তপ্ত বাক-বিতণ্ডা- পরে সমাধানে প্রশাসন

সোমবার দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে হট্রোগোল। ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা বলা নিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক আহমেদ।সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে আওয়ামী পন্থী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ অভিযোগ করেন, “প্রস্তুতিমূলক সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যথাযথভাবে স্মরণ করা হয়নি।”তার এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে মোবারকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক হায়দারী বলেন, “১৭ বছর আওয়ামী লীগ বীর উত্তম জিয়াউর রহমানকে রাজাকার বলেছে, তখন কেউ প্রতিবাদ করেননি। আজকের সভা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচি নিয়ে—এখানে রাজনৈতিক বিতর্কের জায়গা নেই।”উভয়ের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে সভার পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে সভার সভাপতি ইউএনও আশিক আহমেদ সভা সংক্ষিপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে সাংবাদিকরা বিষয়টি নিয়ে অন্য মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁরা জানান, “ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে সমঝোতার ভিত্তিতে মীমাংসা করা হয়েছে।”এ বিষয়ে ইউএনও আশিক আহমেদ বলেন, “একজন মুক্তিযোদ্ধা অপ্রাসঙ্গিক প্রসঙ্গ তুললে বাক-বিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। পরে উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে। বিজয় দিবস ও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দিবস দু’টি উদযাপন উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ, প্রভাতফেরি, আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি সাজানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিজয় দিবসের প্রস্তুতিমূলক সভায় উত্তপ্ত বাক-বিতণ্ডা- পরে সমাধানে প্রশাসন

প্রকাশের সময়ঃ ১১:৫৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা বলা নিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক আহমেদ।সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে আওয়ামী পন্থী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ অভিযোগ করেন, “প্রস্তুতিমূলক সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যথাযথভাবে স্মরণ করা হয়নি।”তার এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে মোবারকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক হায়দারী বলেন, “১৭ বছর আওয়ামী লীগ বীর উত্তম জিয়াউর রহমানকে রাজাকার বলেছে, তখন কেউ প্রতিবাদ করেননি। আজকের সভা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবসের কর্মসূচি নিয়ে—এখানে রাজনৈতিক বিতর্কের জায়গা নেই।”উভয়ের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে সভার পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে সভার সভাপতি ইউএনও আশিক আহমেদ সভা সংক্ষিপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে সাংবাদিকরা বিষয়টি নিয়ে অন্য মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁরা জানান, “ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে সমঝোতার ভিত্তিতে মীমাংসা করা হয়েছে।”এ বিষয়ে ইউএনও আশিক আহমেদ বলেন, “একজন মুক্তিযোদ্ধা অপ্রাসঙ্গিক প্রসঙ্গ তুললে বাক-বিতণ্ডা সৃষ্টি হয়। পরে উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ সমাধান করা হয়েছে। বিজয় দিবস ও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দিবস দু’টি উদযাপন উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ, প্রভাতফেরি, আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি সাজানো হয়েছে।