ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

সংগৃহীত ছবি।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় স্কুলছাত্রী আলিফা আক্তার (১৩) হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাব-১১ এর সিনিয়র এএসপি গোলাম মোর্শেদ। গ্রেপ্তার আসামি ফয়সাল ওরফে বাদশা (৩০)। সে মানিক মিয়ার ছেলে।

এর আগে, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বন্দর থানার সোনাকান্দা এলাকায় এক অভিযানে মো. ফয়সাল (৩০) নামে আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, গত ২১ ডিসেম্বর বিকালে নিজ ভাড়া বাসা থেকে খেলতে বের হওয়ার পর আলিফা আর বাড়ি ফিরেননি। পরের ২২ ডিসেম্বর সকালে স্থানীয় দুই ব্যক্তি একটি মেয়ের মরদেহ দেখতে পেয়ে পরিবারকে খবর দেন। পরিবার সেখানে গিয়ে আলিফার মরদেহ শনাক্ত করেন। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেনারেল ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পাঠায়। আলিফার মা পারভিন বেগম বন্দর থানায় হত্যার মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় গোয়েন্দা তদন্ত পরিচালনা করে র‍্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ সদর কোম্পানি। ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বন্দর থানার সোনাকান্দা এলাকায় তাকে গ্রেপ্তার করে।

র‍্যাব-১১ এর সিনিয়র এএসপি গোলাম মোর্শেদ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। বন্দর থানা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) গোলাম মোক্তার আশরাফ হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, আলিফার ব্যবহৃত এক জোড়া জুতা তার বাবার একটি নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে এই জুতা জব্দ করে পুলিশ। ফয়সাল আদালতে তার জবানবন্দিতেও ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রকাশের সময়ঃ ০৭:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় স্কুলছাত্রী আলিফা আক্তার (১৩) হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‍্যাব-১১ এর সিনিয়র এএসপি গোলাম মোর্শেদ। গ্রেপ্তার আসামি ফয়সাল ওরফে বাদশা (৩০)। সে মানিক মিয়ার ছেলে।

এর আগে, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বন্দর থানার সোনাকান্দা এলাকায় এক অভিযানে মো. ফয়সাল (৩০) নামে আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, গত ২১ ডিসেম্বর বিকালে নিজ ভাড়া বাসা থেকে খেলতে বের হওয়ার পর আলিফা আর বাড়ি ফিরেননি। পরের ২২ ডিসেম্বর সকালে স্থানীয় দুই ব্যক্তি একটি মেয়ের মরদেহ দেখতে পেয়ে পরিবারকে খবর দেন। পরিবার সেখানে গিয়ে আলিফার মরদেহ শনাক্ত করেন। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেনারেল ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পাঠায়। আলিফার মা পারভিন বেগম বন্দর থানায় হত্যার মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় গোয়েন্দা তদন্ত পরিচালনা করে র‍্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ সদর কোম্পানি। ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বন্দর থানার সোনাকান্দা এলাকায় তাকে গ্রেপ্তার করে।

র‍্যাব-১১ এর সিনিয়র এএসপি গোলাম মোর্শেদ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। বন্দর থানা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) গোলাম মোক্তার আশরাফ হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, আলিফার ব্যবহৃত এক জোড়া জুতা তার বাবার একটি নির্মাণাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে এই জুতা জব্দ করে পুলিশ। ফয়সাল আদালতে তার জবানবন্দিতেও ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।