ঢাকা ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩ গাজীপুরে চকলেটের প্রলোভনে শিশু অপহরণচেষ্টা, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে যুবদলকর্মীকে অচেতন করে ব্লেড দিয়ে শরীরে জখম দেশের অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করা সরকারের দায়িত্ব: ড. মঈন খান ভৈরবে প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৭০ জনকে উদ্ধার পাবনায় রাসায়নিকে তৈরি হচ্ছে নকল দুধ! গোবরাতলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান সিলেটে ডেঙ্গু নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক

শীতে শরীর গরম ও শক্তি বাড়াতে কোয়েলের ডিম-জানুন পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা

শীতকালে শরীরের অতিরিক্ত শক্তি ও উষ্ণতার চাহিদা বেড়ে যায়। হাঁস-মুরগির ডিম খেতে না পারলে বিকল্প হিসেবে কোয়েলের ডিম হতে পারে চমৎকার পুষ্টিকর খাবার। আকারে ছোট হলেও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ডিম শীতে শরীরকে ভেতর থেকে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদরা।

পুষ্টিবিদদের মতে, কোয়েলের ডিমে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। প্রতিদিন একটি করে কোয়েলের ডিম খেলে শরীরের অভ্যন্তরীণ শক্তি বাড়ে এবং ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা কমতে পারে।

শীতকালে অনেকেরই জয়েন্ট বা হাড়ের ব্যথা বেড়ে যায়। কোয়েলের ডিমে থাকা ভিটামিন ও খনিজ উপাদান হাড়কে শক্তিশালী করতে সহায়ক। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি ও নারীদের জন্য খাদ্যতালিকায় কোয়েলের ডিম অন্তর্ভুক্ত করা উপকারী হতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

এছাড়া কোয়েলের ডিমে থাকা প্রচুর প্রোটিন মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে সেবনে মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বাড়তে পারে। শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে যারা মানসিক চাপে বা মেধাভিত্তিক কাজে নিয়োজিত, তাদের জন্য এই ডিম কার্যকর খাদ্য হতে পারে।

লিভারের সুস্থতার ক্ষেত্রেও কোয়েলের ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এতে থাকা পটাশিয়াম ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সহায়তা করে বলে মনে করা হয়। ফলে লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমে।

চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও কোয়েলের ডিম উপকারী। এতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও ভিটামিন চোখের ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে। যারা দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার স্ক্রিন ব্যবহার করেন, তাদের জন্য নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে কোয়েলের ডিম খাওয়া দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, কোয়েলের ডিম উপকারী হলেও অতিরিক্ত খাওয়া ক্ষতিকর হতে পারে। এতে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি থাকায় প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়াই উত্তম। বেশি খেলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

যাদের ডিমে অ্যালার্জি রয়েছে বা পেটের গুরুতর সমস্যা আছে, তাদের কোয়েলের ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। খাদ্যতালিকায় এই ডিম অন্তর্ভুক্ত করার আগে প্রয়োজনে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে নসিমনের সঙ্গে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩

শীতে শরীর গরম ও শক্তি বাড়াতে কোয়েলের ডিম-জানুন পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা

প্রকাশের সময়ঃ ০৪:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

শীতকালে শরীরের অতিরিক্ত শক্তি ও উষ্ণতার চাহিদা বেড়ে যায়। হাঁস-মুরগির ডিম খেতে না পারলে বিকল্প হিসেবে কোয়েলের ডিম হতে পারে চমৎকার পুষ্টিকর খাবার। আকারে ছোট হলেও পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ডিম শীতে শরীরকে ভেতর থেকে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে বলে মনে করছেন পুষ্টিবিদরা।

পুষ্টিবিদদের মতে, কোয়েলের ডিমে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। প্রতিদিন একটি করে কোয়েলের ডিম খেলে শরীরের অভ্যন্তরীণ শক্তি বাড়ে এবং ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা কমতে পারে।

শীতকালে অনেকেরই জয়েন্ট বা হাড়ের ব্যথা বেড়ে যায়। কোয়েলের ডিমে থাকা ভিটামিন ও খনিজ উপাদান হাড়কে শক্তিশালী করতে সহায়ক। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি ও নারীদের জন্য খাদ্যতালিকায় কোয়েলের ডিম অন্তর্ভুক্ত করা উপকারী হতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

এছাড়া কোয়েলের ডিমে থাকা প্রচুর প্রোটিন মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে সেবনে মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বাড়তে পারে। শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে যারা মানসিক চাপে বা মেধাভিত্তিক কাজে নিয়োজিত, তাদের জন্য এই ডিম কার্যকর খাদ্য হতে পারে।

লিভারের সুস্থতার ক্ষেত্রেও কোয়েলের ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এতে থাকা পটাশিয়াম ও প্রয়োজনীয় ভিটামিন লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সহায়তা করে বলে মনে করা হয়। ফলে লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমে।

চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও কোয়েলের ডিম উপকারী। এতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও ভিটামিন চোখের ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করে। যারা দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার স্ক্রিন ব্যবহার করেন, তাদের জন্য নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে কোয়েলের ডিম খাওয়া দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, কোয়েলের ডিম উপকারী হলেও অতিরিক্ত খাওয়া ক্ষতিকর হতে পারে। এতে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি থাকায় প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়াই উত্তম। বেশি খেলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

যাদের ডিমে অ্যালার্জি রয়েছে বা পেটের গুরুতর সমস্যা আছে, তাদের কোয়েলের ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। খাদ্যতালিকায় এই ডিম অন্তর্ভুক্ত করার আগে প্রয়োজনে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।