ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

এলপিজি ডিলারদের দেশব্যাপী ধর্মঘট, রাজশাহীতে গ্যাস বিক্রি বন্ধ-ভোগান্তিতে গ্রাহক

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন এলপিজি ডিপো ও খুচরা বিক্রেতাদের দোকানপাট বন্ধ থাকতে দেখা গেছে।

দেশব্যাপী অভিযান ও জরিমানার প্রতিবাদে সারাদেশের মতো রাজশাহীতেও এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধ রেখেছেন ডিলার ও ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন এলপিজি ডিপো ও খুচরা বিক্রেতাদের দোকানপাট বন্ধ থাকতে দেখা গেছে।

এলপিজি ব্যবসায়ীরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে। এতে চরম সংকটে পড়েছেন বাসাবাড়িতে সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষসহ হোটেল-রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা।

ভোক্তাদের অভিযোগ, ধর্মঘটের কারণে রান্নাবান্না ও দৈনন্দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই বিপাকে পড়েছেন।

উল্লেখ্য, বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সারা দেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের উদ্দেশে একটি নোটিশ জারি করে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। এর আগে একই দিন সকালে কমিশন বৃদ্ধি, জরিমানা প্রত্যাহারসহ ছয় দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় সংগঠনটি।

নোটিশে জানানো হয়, ৮ জানুয়ারি থেকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল এলপি গ্যাস বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে সকল কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রমও স্থগিত রাখা হবে বলে জানানো হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

এলপিজি ডিলারদের দেশব্যাপী ধর্মঘট, রাজশাহীতে গ্যাস বিক্রি বন্ধ-ভোগান্তিতে গ্রাহক

প্রকাশের সময়ঃ ০১:৩১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

দেশব্যাপী অভিযান ও জরিমানার প্রতিবাদে সারাদেশের মতো রাজশাহীতেও এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধ রেখেছেন ডিলার ও ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন এলপিজি ডিপো ও খুচরা বিক্রেতাদের দোকানপাট বন্ধ থাকতে দেখা গেছে।

এলপিজি ব্যবসায়ীরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে। এতে চরম সংকটে পড়েছেন বাসাবাড়িতে সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষসহ হোটেল-রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা।

ভোক্তাদের অভিযোগ, ধর্মঘটের কারণে রান্নাবান্না ও দৈনন্দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা না থাকায় অনেকেই বিপাকে পড়েছেন।

উল্লেখ্য, বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সারা দেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের উদ্দেশে একটি নোটিশ জারি করে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। এর আগে একই দিন সকালে কমিশন বৃদ্ধি, জরিমানা প্রত্যাহারসহ ছয় দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয় সংগঠনটি।

নোটিশে জানানো হয়, ৮ জানুয়ারি থেকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল এলপি গ্যাস বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে সকল কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রমও স্থগিত রাখা হবে বলে জানানো হয়।