ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

ইউএনও ফেরদৌস আরার মৃত্যুতে শোকের ছায়া

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা । ছবি-সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা আর নেই। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার অকাল মৃত্যুতে প্রশাসনসহ সর্বস্তরে নেমে এসেছে গভীর শোক।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার হঠাৎ করে তার তীব্র মাথাব্যথা শুরু হলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, তিনি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন।

ফেরদৌস আরা ছিলেন বিসিএস ৩৬তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের একজন মেধাবী ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরে গত ৯ জানুয়ারি ২০২৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। স্বল্প সময়ের মধ্যেই সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন।

তার পৈতৃক নিবাস চাঁদপুর জেলায় হলেও জন্ম ঢাকা জেলায়। শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে। ব্যক্তিগত জীবনে ফেরদৌস আরা ছিলেন এক কন্যা সন্তানের স্নেহময়ী মা। তার স্বামী পেশায় একজন শিক্ষক।

নিরবচ্ছিন্ন দায়িত্ব পালনের মধ্যেই এমন আকস্মিক বিদায়ে সহকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের মাঝে গভীর বেদনা ও শোকের অনুভূতি বিরাজ করছে। একজন নিষ্ঠাবান নারী প্রশাসকের অকাল প্রস্থান দেশের প্রশাসনে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করল বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউএনও ফেরদৌস আরার মৃত্যুতে শোকের ছায়া

প্রকাশের সময়ঃ ০৬:৫৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা আর নেই। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার অকাল মৃত্যুতে প্রশাসনসহ সর্বস্তরে নেমে এসেছে গভীর শোক।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার হঠাৎ করে তার তীব্র মাথাব্যথা শুরু হলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, তিনি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন।

ফেরদৌস আরা ছিলেন বিসিএস ৩৬তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের একজন মেধাবী ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরে গত ৯ জানুয়ারি ২০২৫ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। স্বল্প সময়ের মধ্যেই সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন।

তার পৈতৃক নিবাস চাঁদপুর জেলায় হলেও জন্ম ঢাকা জেলায়। শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে। ব্যক্তিগত জীবনে ফেরদৌস আরা ছিলেন এক কন্যা সন্তানের স্নেহময়ী মা। তার স্বামী পেশায় একজন শিক্ষক।

নিরবচ্ছিন্ন দায়িত্ব পালনের মধ্যেই এমন আকস্মিক বিদায়ে সহকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের মাঝে গভীর বেদনা ও শোকের অনুভূতি বিরাজ করছে। একজন নিষ্ঠাবান নারী প্রশাসকের অকাল প্রস্থান দেশের প্রশাসনে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করল বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।